বাংলা ফন্ট সমস্যা? ডাউনলোড ফন্ট English
সূচনা ইন্টারনেট ব্যাংকিং শেয়ার ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল শিডিউল অব চার্জেস ওয়েবমেইল
ব্র্যাক ব্যাংক সম্পর্কে জানুন
কোম্পানি প্রোফাইল
কর্পোরেট ভিশন, মিশন, মূল্যবোধসমূহ
অর্জন
চেয়ারম্যানের বাণী
শেয়ারহোল্ডিং অবকাঠামো
পরিচালনা পর্ষদ
ব্যবস্থাপনা কমিটি
রিপোর্ট এবং মূল্যায়নসমুহ
বার্ষিক প্রতিবেদন
আর্থিক বিবরন
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ নীতিমালা
কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা
প্রাতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতা সংক্রান্ত নীতিমালা “গ্রিন ব্যাংকিং”
সি এস আর পদক্ষেপসমূহ
সি এস আর সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা করুন
মিডিয়া কর্ণার
সাম্প্রতিক প্রেস রিলিজ
সাম্প্রতিক টিভিসি ও এডভার্টাইসমেন্ট
ই-নিউজলেটার
হোম » ব্র্যাক ব্যাংক সম্পর্কে জানুন » রিপোর্ট এবং মূল্যায়নসমুহ » মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ নীতিমালা
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ নীতিমালা
ব্র্যাক ব্যাংকের বোর্ড ডিরেক্টররা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধকে ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করেন। শুধুমাত্র আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়। ব্যাংকের অন্যান্য ব্যবসায়িক সংস্থান এবং চাহিদার সাথে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা হয় না।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমুহ বিশেষভাবে অরক্ষিত এই ঘটনার উপলদ্ধি থেকে ব্র্যাক ব্যাংক এর বিরুদ্ধে একটি কর্মপন্থা নিয়েছে যার মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সক্ষম।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২, বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশাবলী এবং সম্পর্কিত স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ মেনে চলার প্রতি বোর্ড অব ডিরেক্টরদের যে অঙ্গীকার তা এই কর্মপন্থার দ্বারা প্রতিফলিত হয়। মানি লন্ডারিং মেনে চলার এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি উচ্চতর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
এই কর্মপন্থা নিম্নের বিষয়াবলীর উন্নয়ন অন্তভুক্ত করে
নতুন এ্যাকান্ট খোলার পূর্বে কে ওয়াই সি কর্মপন্থা/কার্যপ্রণালী
অস্বাবাভিক অথবা সন্দেহজনক কার্যকলাপ-এর জন্য এ্যাকাউন্ট অবলোকন করা
তথ্য প্রবাহ
ঝুঁকি শ্রেণীবিন্যাস
সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন করা
কর্মকর্তা/কর্মচারী ভাড়া এবং প্রশিক্ষণ দেয়া
এ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়ান্স অফিসারদের ভুমিকার বর্ণনা ও এর অন্তগত। প্রত্যেক চাকরীজীবির ব্যাংক-কে মানি লন্ডারারদের আগ্রাসন হতে রক্ষা করা এবং উপযুক্ত আইনের ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব এর অন্তর্গত
বোর্ড অব ডিরেক্টররা ব্যাংকের জন্য একটি কে ওয়াই সি কর্মপন্থা অনুমোদন করেছে। কে ওয়াই সি –এর পথপ্রদর্শক নীতি হচ্ছে- সুখ্যাত গ্রাহক যারা আইনসম্মত ব্যবসায় নিয়োজিত এবং যাদের আয় এবং সম্পদ আইনসম্মত পদ্ধতিতে অর্জিত তাদের সাথে ব্যবসা করা।
নিম্নের বিষয়াবলী কে ওয়াই সি এর অন্তর্গত :
গ্রাহক গ্রহনযোগ্যতার মাপকাঠি – ব্যাংক কর্মকর্তার সাথে গ্রাহকের সাক্ষাৎকার এবং গ্রাহকের পশ্চাৎ পেশা প্রভৃতির পুননীরিক্ষণ করা
গ্রাহক প্রত্যাখান মাপকাঠি- ব্যাংক কর্মকতার সাথে গ্রাহকের সাক্ষাৎকার এবং গ্রাহকের পশ্চাৎ, পেশা প্রভৃতির পুননীরিক্ষণ করা
ব্যক্তিগত/কর্পোরেট এ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় দলিল
গ্রাহকের শনাক্তকরণের জন্য
ঠিকানা সাব্যস্তকরণ সমর্থিত ডকুমেন্ট অথবা শারীরিক সাব্যাস্তকরন
লেনদেন পরিলেখা প্রভৃতি গ্রাহকের আয়ের উৎসের ভিত্তিতে
গ্রাহকের লেনদেন অবলোকন করা এবং সংশ্লিস্ট বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নিম্নের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে :
ব্যাঞ্চ এ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়ান্স অফিসার (বি. এ. এস. এল. সি. ও) : প্রধান অফিসের জন্য শাখায়
চিফ এ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়ান্স অফিসার (সি. এ. এস. এল. সি. ও) : বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদনের জন্য প্রধান অফিসে
অবলোকন পদ্ধতি
৩ লক্ষ টাকা বা তদুর্দ্ধ লেনদেনের জন্য বি. এ. এস. এল. সি. ও দৈনিক পুননীরিক্ষন
প্রত্যাশিত লেনদেনের অধিক লেনদেন বি. এ. এস. এল. সি. ও কর্তৃক মাসিক পুনণীরিক্ষণ
প্রতিবেদন পদ্ধতি
অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে বি. এ. এস. এল. সি. ও – এ প্রতিবেদন যাবে।
বি.এ. এস. এল. সি. ও পুননীরিক্ষণের পরে মন্তব্যসহ সি. এ. এস. সি. ও –এর কাছে পাঠানো হবে।
সি. এস. এল. সি. ও পুননীরিক্ষণের পরে সন্দেহজনক মনে করলে মন্তব্যসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠাবেন।
সাময়িক প্রত্যাবর্তন
মাসিক
দ্বিমাসিক
ত্রিমাসিক
ডাউনলোড র্ফম
৩০ জুন ২০১১ এর অর্ধ-বার্ষিক অর্থ বিবরণী (অশুদ্বিকৃত)
৩১ মার্চ ২০১১ এ ত্রিমাসিক আর্থিক বিবরনী (অশুদ্বিকৃত)
২৪ ঘন্টা কল সেন্টার: ১৬২২১
বিদেশ থেকে কল করতে:
+৮৮০ ২ ৮৮৫২২৩৩