|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি হজ্জ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি হজ্জ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির আওতায় দেশব্যাপী দেশের সকল শাখায় হজ্জ ফি জমা নিবে। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং হাব-এর সভাপতি আলহাজ্জ জামাল উদ্দিন আহমেদ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
|
|
|
 |
২৫ এপ্রিল, ২০১২ ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার’ উপলক্ষে রেডিও টুডে’তে আয়োজন করা হয় সাহিত্য বিষয়ক কুইজের |
|
|
‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার’ উপলক্ষে রেডিও টুডে’তে আয়োজন করা হয় সাহিত্য বিষয়ক কুইজের। বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ সৃষ্টির জন্য এই কুইজের আয়োজন করা হয়। কুইজের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের সাথে ব্র্যাক ব্যাংক, সমকাল এবং রেডিও টুডে-এর কর্মকর্তাদের দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
২৪ এপ্রিল, ২০১২ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং আইএফসি, ডিএফআইডি ও নোরাড-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সাউথ এশিয়া এন্টারপ্রাইজ ফ্যাসিলিটি (এসইডিএফ) সম্প্রতি ‘মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন এন্ড সাসটেন্যাবিলিটি’ বিষয়ে কর্মশালার আয়োজন করে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং আইএফসি, ডিএফআইডি ও নোরাড-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সাউথ এশিয়া এন্টারপ্রাইজ ফ্যাসিলিটি (এসইডিএফ) সম্প্রতি ‘মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন এন্ড সাসটেন্যাবিলিটি’ বিষয়ে কর্মশালার আয়োজন করে। ব্যাংকের ট্রেনিং সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মশালায় ব্র্যাক ব্যাংক, ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ব্র্যাক, বিকাশ এবং আড়ং-এর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এতে প্রমাণ ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া জোরদার করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুফল অর্জন করা এবং টেকসই উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যক্রম রিপোর্ট ইত্যাদি বিষয় স্থান পায়। ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং আইএফসি’র কান্ট্রি ম্যানেজার মি. কাইল এফ. কেলহোফার দু’দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
|
|
|
 |
২৩ এপ্রিল, ২০১২ মানি লন্ডারিং বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সচেতনতা কার্যক্রমের আলোকে ব্র্যাক ব্যাংক দেশব্যাপী সকল কর্মকর্তার জন্য প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে |
|
|
মানি লন্ডারিং বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সচেতনতা কার্যক্রমের আলোকে ব্র্যাক ব্যাংক দেশব্যাপী সকল কর্মকর্তার জন্য প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এর প্রথম পর্বে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি ৬০ জন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ক্লাস্টার ম্যানেজার এবং ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং-এর আঞ্চলিক প্রধানদের জন্য মানি লন্ডারিং আইনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন বিষয়ে ব্যাংকের ট্রেনিং সেন্টারে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। ছবিতে ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমানকে অংশগ্রহণকারীদের সাথে দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
২২ এপ্রিল, ২০১২ দেশীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ও বৈশাখী মেলাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪১৯ বরণ করে নিল ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা। |
|
|
দেশীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ও বৈশাখী মেলাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪১৯ বরণ করে নিল ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা। মেলায় ছিল দেশীয় খাবার ও নানারকম পণ্যসামগ্রী। ব্র্যাক ব্যাংকের সকল কর্মী রঙিন পোষাক পড়ে একত্রিত হন সুসজ্জ্বিত প্রধান কার্যালয়ে। তাঁরা সকলে মিলে নেচেগেয়ে আনন্দ, উচ্ছ্বাসে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেন। একটি বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা প্রতিবছর নানা আয়োজনে বর্ষবরণ করে থাকেন।
|
|
|
 |
১৮ এপ্রিল, ২০১২ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদেশিক মুদ্রা বুথ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
বিমান যাত্রী বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বৈদেশিক মুদ্রা সেবা প্রদানের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুথ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
উদ্ভাবনী সেবা ও আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষে নতুন নতুন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নিয়ে বিভিন্ন শ্রেনীর গ্রাহকের নিকট অত্যাধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতির এক অনন্য উদাহরণ হলো বিমান বন্দরে এই বৈদেশিক মুদ্রা বুথ চালুকরণ।
১৮ এপ্রিল, ২০১২ বিমানবন্দরের ইমিগ্রেসন লাইঞ্জ বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো: আতাহারুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বুথ উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হোসেন, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহ্বুবুর রহমান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও ব্র্যাক ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিবছর ২৫ লাখ যাত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে। বিমানবন্দরে নামার পর তাদের বৈদেশিক মুদ্রার পরিবর্তে বাংলাদেশী টাকার প্রয়োজন হয়। ব্র্যাক ব্যাংক ফরেন এক্সচেঞ্জ বুথে এই সেবা পাওয়া যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বৈদেশিক মুদ্রার এই সংকটের মুহুর্তে এই ব্যুথ প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠাতে সাহায্য করবে এবং সরকারের বিদেশী মুদ্রা রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’’ এয়ারপোর্টে এই সেবা চালু করার অনুমতি দেয়ায় তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে আনত্মরিক ধন্যবাদ জানান।
বহির্গামী যাত্রী বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের রেমিটেন্স ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষে ব্র্যাক ব্যাংক গত বছর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দু’টি সার্ভিস বুথ চালু করেছে। সত্তর লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী প্রতি বছর প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে প্রিয়জনের নিকট পাঠায়।
|
|
|
 |
২৫ মার্চ, ২০১২ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক-এর কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন |
|
|
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংক-এর কর্মকর্তারা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
২৫ মার্চ, ২০১২ ব্র্যাক ব্যাংক-এর কর্মকর্তারা প্রধান কার্যালয়ে একত্রিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। কর্মকর্তারা প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত প্রতিকী স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। এ সময় তাঁরা মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ত্যাহ্নিয়াত আহমেদ করিম-সহ সকল কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
“লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ। এই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে আজ ব্র্যাক ব্যাংকের সকলে এখানে একত্রিত হয়েছি।”, বলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। তিনি আরও বলেন, “একটি সুন্দর ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্যে আমরা যে যার অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবো।”
|
|
|
 |
২২ মার্চ, ২০১২ ব্র্যাক ব্যাংক-এর ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
|
|
২০১১ সালের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ (২০%) স্টক ডিভিডেন্ড (বোনাস শেয়ার্স) দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
২২ মার্চ ২০১২, বৃহস্পতিবার ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার এ অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এই ডিভিডেন্ড ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ জনাব শিব নারায়ন কৈরী, কাজী মো: শরিফুল আলা, ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী, মিস্ তামারা হাসান আবেদ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং কোম্পানী সেক্রেটারী জনাব রেইস উদ্দীন আহ্মাদ।
বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জানান, ২০১১ সালে ব্যাংক পরিচালন মুনাফা হিসাবে ৪,৯৭০ মিলিয়ন টাকা এবং কর পরবর্তী মুনাফা হিসাবে ১,৭০২ মিলিয়ন টাকা অর্জন করেছে।
বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান, কোম্পানীর প্রতি ধারাবাহিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য শেয়ারহোল্ডার, ষ্টেকহোল্ডার এবং ব্যবস্থাপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার এই বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড সম্প্রতি ঢাকায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড সম্প্রতি ঢাকায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায় কৃষি সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট-এর পরিবেশকদের ঋণ প্রদান করবে ব্র্যাক ব্যাংক।
|
|
|
 |
১৪ মার্চ, ২০১২ অমনিবাস স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত |
|
|
এটিএম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চত করা এবং শেয়ার্ড এটিএম নেটওয়ার্কের কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অমনিবাস স্টিয়ারিং কমিটির মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ৫ মার্চ, ২০১২ ব্র্যাক ব্যাংক-এর প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অমনিবাস হলো ব্র্যাক ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন একটি শেয়ার্ড এটিএম ও পিওএস নেটওয়ার্ক যার সদস্য সংখ্যা ১৪। অমনিবাসের মাধ্যমে সদস্য ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা ১,০০০টির বেশী এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারেন।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, অমনিবাস নেটওয়ার্কের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এমনিবাস নেটওয়ার্কের সদস্যগুলো হলো -- ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, আইটি কনসালটেন্টস লিমিটেড (কিউ-ক্যাশ), ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ব্যাংক আল ফালাহ লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।
|
|
|
 |
৮ মার্চ, ২০১২ আর্থিক সাফল্যে টেকসই ব্যাংকগুলো প্রচলিত বৃহৎ ব্যাংকগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে ব্র্যাক ব্যাংক-এর এস.এম.ই অর্থায়ন টেকসই উন্নয়নের অনন্য মডেল |
|
|
মুনাফার চেয়ে মানুষ ও পরিবেশকে প্রাধান্য দেয়া টেকসই ব্যাংকগুলো প্রচলিত মূলধারার ব্যাংকগুলোর চেয়ে অনেক বেশী আর্থিক সাফল্য অর্জন করেছে। একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্টে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
বিশ্বের টেকসই ব্যাংকগুলোর জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ব্যাংকিং অন ভ্যালুজ (জি.এ.বি.ভি.)-এর বার্ষিক সম্মেলনে এই রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়। কানাডার ভ্যানকুভারে ৮ মার্চ, ২০১২ এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫টি টেকসই ব্যাংক নিয়ে জি.এ.বি.ভি. গঠিত। বাংলাদেশ থেকে ব্র্যাক ব্যাক লিমিটেড এবং ব্র্যাক মাইক্রোফিন্যান্স প্রোগ্রামস এই বৈশ্বিক সংগঠনের একমাত্র সদস্য।
বাংলাদেশ থেকে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী এই সম্মেলনে ব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিশ্বব্যাপী টেকসই ব্যাংকিং-এর ক্রমবর্ধমান সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় এই সম্মেলনে কানাডার এসিনিবয়েন ক্রেডিট ইউনিয়ন ব্যাংক জি.এ.বি.ভি.-এর ১৫তম সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে।
জি.এ.বি.ভি.-এর তত্ত্বাবধায়নে রকেফেলার ফাউন্ডেশন এবং জি.এ.বি.ভি.-এর অর্থায়নে সম্পন্ন এই রিপোর্টে ১৭টি টেকসই ব্যাংকের সাথে ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগান, বার্কলেইস, সিটিকর্প এবং ডয়েচ ব্যাংকসহ ২৯টি প্রচলিত মূলধারার বৃহৎ ব্যাংকের তুলনা করা হয়। ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা মানুষদের জন্য টেকসই ব্যাংকগুলো কি কি সুবিধা নিয়ে আসে তা পর্যালোচনা করা হয়।
টেকসই ব্যাংকগুলো অধিকমাত্রায় বিনিয়োগ করতে পারে। রিপোর্টে দেখা যায় টেকসই ব্যাংকগুলো তাদের ৭০ শতাংশের অধিক এ্যাসেট ঋণ হিসেবে প্রদান করেছে। টেকসই ব্যাংকগুলোর এ্যাসেট ও পুঁজির উন্নত মান বজায় রেখেছে।
টেকসই ব্যাংকগুলোর ইক্যুইটি/এ্যাসেট অনুপাত নয় শতাংশের বেশী যেখানে মূলধারার ব্যাংকগুলোর পাঁচ শতাংশ। টেকসই ব্যাংকগুলোর রিটার্ন অন এ্যাসেট ০.৫০ শতাংশ আর মূলধারার ব্যাংকগুলোর ০.৩৩ শতাংশ। টেকসই ব্যাংকগুলোর রিটার্ন অব ইক্যুইটি ৭.১ শতাংশ এবং মূলধারার ব্যাংকগুলোর ৬.৬ শতাংশ। ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যনত্ম ঋণ প্রদানের পরিমাণ টেকসই ব্যাংকগুলোর ৮০ শতাংশ এবং বিপরীতে মূলধারার ব্যাংকগুলোর ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রম্নমী) আলী বলেন, “টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জি.এ.বি.ভি. ব্র্যাক ব্যাংকের এস.এম.ই অর্থায়নের মডেল গ্রহণ করেছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের যে, ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা কম্যুনিটিকে সেবা প্রদানের জন্য জি.এ.বি.ভি. একটি বাংলাদেশী ব্যাংকের অর্থায়নের মডেল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রয়োগ করছে।’’ তিনি আরও বলেন, ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্-আইএফসি সাসটেন্যাবল এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি ব্র্যাক ব্যাংকের টেকসই কার্যক্রমের পরিচয় বহন করে।
এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “মানুষ, পৃথিবী ও মুনাফা এই দর্শনের আলোকে প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা তৃণমূল পর্যায়ের ড়্গুদ্র ড়্গুদ্র উদ্যোক্তাদের আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির মূলস্রোতে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে ব্র্যাক ব্যাংক।”
এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে লগ অন করুন: www.bracbank.com
|
|
|
 |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর ঘটনায় নিহত লে: কর্নেল এলাহী মঞ্জুর চোধুরীর স্ত্রী তান্নী ইয়াসতা চৌধুরীকে ৪.৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন |
|
|
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর ঘটনায় নিহত লে: কর্নেল এলাহী মঞ্জুর চোধুরীর স্ত্রী তান্নী ইয়াসতা চৌধুরীকে ৪.৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। বাৎসরিক অনুদানের অংশ হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক এই চেক প্রদান করে। ছবিতে সম্প্রতি গণভবনে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর পরিচালক জনাব শিব নারায়ন কৈরী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান-কে দেখা যাচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংক ১০ বছর এই পরিবারকে সহায়তা প্রদান করবে।
|
|
|
 |
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এলডোর্যাডো নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে |
|
|
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এলডোর্যাডো নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম এ ইউসুফ খান সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের গ্রাহকরা এলডোর্যাডো নেটওয়ার্কের সদস্য ব্যাংকের মাধ্যমে দেশব্যাপী অন-লাইন-এ দ্রুততার সাথে রেমিটেন্স গ্রহণ করতে পারবেন।
|
|
|
 |
১ মার্চ, ২০১২ বরিশালে এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিক ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
বরিশালে এক সম্মেলনে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এস.এম.ই) উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ডেপুটি গভর্নর জনাব মো: আবুল কাশেম বরিশাল ক্লাব প্রাঙ্গনে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ “এস.এম.ই. উদ্যোক্তা ও ব্যাংকার সম্মেলন”-এর উদ্বোধন করেন। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের কয়েকজন গ্রাহকের নিকট ঋণ অনুমোদনপত্র হসত্মানত্মর করেন। এস.এম.ই ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের তাৎক্ষণিক ঋণ গ্রহীতারা হলেন -- মেসার্স শিকদার এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স লামিয়া ক্লথস্ এবং মেসার্স ফিমা ফ্যাশন এন্ড টেইলার্স। উদ্যোক্তাদের মধ্যে ২৭.৫০ লাখ টাকার এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করে ব্র্যাক ব্যাংক।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এডভোকেট শাখায়াত হোসেন হিরণ, এস.এম.ই ফাইন্ডেশন-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর এস.এম.ই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জনাব সুকোমল সিংহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপসি'ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক-এর এস.এম.ই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব আব্দুর রহমান, বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় এস.এম.ই উদ্যোক্তাবৃন্দ।
দেশের কনিষ্ঠতম ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এস.এম.ই) এ বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আসছে। প্রতিষ্ঠার ১০ বছরের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক প্রায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার-এর অধিক উদ্যোক্তাকে ১৮,০০০ কোটি টাকা এর বেশী এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করেছে। এর ফলে লাখ লাখ উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হয়েছে আর সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য কর্মসংস্থানের।
|
|
|
 |
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ মাতৃভাষা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন |
|
|
মায়ের মতোই মাতৃভাষাকে ভালোবাসার প্রত্যয় নিয়ে কিছু আনন্দময় সময় কাটালো ছোট্ট সোনামণিরা। মায়ের ভাষাকে প্রাণ দিয়ে অনুভব করলো ভবিষ্যত প্রজন্মের প্রতিনিধিরা।
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কর্মকর্তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। ছোট্ট সোনামণিদের আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে তাদের সাথে অনুষ্ঠানে যোগ দেন দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী জনাব মোস্তফা মুনোয়ার।
ছোট্ট সোনামণিদের জন্য ভাষা আন্দোলন ও রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সহজ সরলভাবে বর্ণনা করেন জনাব মোস্তফা মুনোয়ার। শিশুরা তাঁর গল্প আনন্দের সাথে উপভোগ করে।
জনাব মোস্তফা মুনোয়ার বলেন, “তোমরা নিশ্চয় জানো বাংলা ভাষা পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রুতিমধুর ভাষা। বাংলা বর্ণমালা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম। এমন একটি সুন্দর ভাষা আমাদের মায়ের ভাষা হওয়ায় আমার গর্বিত। কিন্তু এই মায়ের ভাষায় কথা বলতে অনেক শহীদের রক্ত দিতে হয়েছে। তাদের কাছে আমরা ঋণী।”
তিনি আরও বলেন, “ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে আমরা প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করি। তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানাতে তোমারা শুদ্ধভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলবে, লিখবে ও পড়বে।”
উৎসবমুখর এই অনুষ্ঠানে চার থেকে ছয় বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য ছিল স্বরবর্ণ লেখা প্রতিযোগিতা। সাত থেকে দশ বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য ছিল ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছাড়াও অংশগ্রহণকারী সকল ছেলেমেয়ের জন্য ছিল বিশেষ উপহার। ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ আয়োজিত অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল যাদু প্রদর্শনী যা ছেলেমেয়েরা খুবই উপভোগ করে।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “শহুরে ব্যস্ততা ও কাজের চাপের বাইরে এসে আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা শুদ্ধভাবে বাংলা চর্চায় উৎসাহী হবে, এই বিশ্বাস করি।”
|
|
|
 |
চেয়ারম্যান এক্সিলেন্স এওয়ার্ড |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী সম্প্রতি ব্যাংকের টাউন হল মিটিং-এ কর্মকর্তাদের মধ্যে ২০১১ সালে বিশেষ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে ‘চেয়ারম্যান এক্সিলেন্স এওয়ার্ড’ প্রদান করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সাথে ক্যাশ ব্যবস্থাপনা সেবা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সাথে ক্যাশ ব্যবস্থাপনা সেবা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব জামাল এম এ নাসের এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তির আলোকে ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির বীমা গ্রাহকরা দেশব্যাপী ব্র্যাক ব্যাংকের শাখায় প্রিমিয়াম জমা দিতে পারবেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি পর্যটন নগরী কক্সবাজারের লং বীচ হোটেল-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি পর্যটন নগরী কক্সবাজারের লং বীচ হোটেল-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক-এর হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং জনাব ফিরোজ আহমেদ খান এবং লং বীচ হোটেল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আবুল কালাম আজাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের গ্রাহকবৃন্দ এবং ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই হোটেলে বিশেষ ছাড় সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি ব্যাংকের এস.এম.ই ব্যাংকিং ডিভিশনের ম্যানেজারস্ মিট ২০১২-এ বক্তব্য রাখেন। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি ব্যাংকের এস.এম.ই ব্যাংকিং ডিভিশনের ম্যানেজারস্ মিট ২০১২-এ বক্তব্য রাখেন।
|
|
|
 |
১৬ জানুয়ারী ২০১২ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি দেশবরেণ্য প্রয়াত বাংলা নাট্যকার/লেখক সেলিম আল দীন-কে নিয়ে কিছু সংগৃহীত লেখার লিখিত ‘‘সেলিম আল দীন : অর্ধসমাপিত গীত!” নামক একটি বই তালুকনগর থিয়েটার কর্তৃক প্রকাশ করবার জন্য আর্থিক সহায়তা দান করে। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি দেশবরেণ্য প্রয়াত বাংলা নাট্যকার/লেখক সেলিম আল দীন-কে নিয়ে কিছু সংগৃহীত লেখার লিখিত ‘‘সেলিম আল দীন : অর্ধসমাপিত গীত!” নামক একটি বই তালুকনগর থিয়েটার কর্তৃক প্রকাশ করবার জন্য আর্থিক সহায়তা দান করে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙাঁনো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি.....এই অমর গানের প্রয়াত বিশিষ্ট সুরকার ও বিশিষ্ট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ-এর স্ত্রী জনাবা সারা আরা মাহমুদ ১৩ই জানুয়ারী, ২০১২ তারিখে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, ঢাকার এক্সপ্রেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে ‘‘সেলিম আল দীন : অর্ধসমাপিত গীত!” বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এই সময় প্রয়াত সেলিম আল দীন-এর স্ত্রী জনাবা মেহেরম্নন্নেছা সেলিম, বিশিষ্ট থিয়েটার ব্যক্তিত্ব জনাব আতাউর রহমান, জনাব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, জনাব পিযুষ বদ্যোপাধ্যায়; ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর হেড অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সার্ভিস কোয়ালিটি জনাব জীশান কিংশুক হক; ‘‘সেলিম আল দীন : অর্ধসমাপিত গীত!” বইটির সম্পাদক জনাব মো: কামরম্নল হাসান খান; দেশের অগণিত স্বনামধন্য শিল্পী, নাট্যকার, কন্ঠশিল্পী, থিয়েটার ব্যক্তিত্বগণ এবং সাংবাদিকবৃন্দও এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
০৬ জানুয়ারী ২০১২ মানবতার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীদের ম্যারাথন |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহ - বিকাশ, ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ ও ব্র্যাক সাজন-এর কর্মীরা এক ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মানবতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করার মাধ্যমে নতুন বছর শুরু করেছে।
বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মিস সালমা খাতুন এবং টেবিল টেনিসের কিংবদন্তী তারকা মিস জোবেরা রহমান নীলু আজ ৬ জানুয়ারী, ২০১২ ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে ‘‘ব্র্যাক ব্যাংক দৌড় - কল্যাণের পথচলা’ শীর্ষক এই ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন। এই সময় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই ম্যারাথন দৌড় শুরু হয় সকাল ৬:৩০টায়। ব্র্যাক ব্যাংক ও এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রায় ২,০০০ জন কর্মীর অংশগ্রহণে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু হয় এই দৌড়, যা আগারগাঁওয়ের রোকেয়া সরণি দিয়ে মিরপুর রোডের শিশুমেলা থেকে আসাদ গেট হয়ে আবার মানিক মিয়া এভিনিউে এসে শেষ হয়।
এই দৌড় উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা ৯ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করেন। এর সঙ্গে ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম (সি.এস.আর.) তহবিল থেকে সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে এই তহবিলকে দ্বিগুণ করা হয়। ২০১১ সাল থেকে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীরা মানতার কল্যাণে ম্যারাথন আয়োজন করে আসছে।
এই তহবিল থেকে প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান প্রবীণদের জন্য হাসাপাতাল, নিবাস ও ইনস্টিটিউট পরিচালনা করে। ম্যারাথন শেষ হওয়ার পরে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রবীণ হিতৈষী সংঘের মহাসচিব ক্যাপ্টেন এ কে এম শামছুল হক (অব:) এর নিকট অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।
এই তহবিলের অর্থ দিয়ে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তারা দেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলায় সুবিধাবঞ্চিত শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।
এ উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসে। ব্যাংকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমার সহকর্মীরা এই ম্যারাথনের আয়োজন করেছেন এবং নিজেদের উদ্যোগে মানবতার কল্যাণে তহবিল সংগ্রহ করেছেন। এই উদ্যোগ নি:সন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। মানব কল্যাণে এই মহৎ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা নতুন বছর শুরু করছি।”
|
|
|
 |
২৯ ডিসেম্বর, ২০১১ উত্তরাঞ্চলের শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
দেশের উত্তরাঞ্চলের শীতার্ত জনসাধারণের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
গত ২২ ডিসেম্বর, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ছয়টি দল উত্তরাঞ্চলের পাচঁটি জেলার বিভিন্ন স্থানে ৩,৭৮০ টি কম্বল ও ১০,০০০ টি গরম কাপড় বিতরণ করে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ঠাকুরগাঁওয়ের খাশিয়া পল্লী ও অন্যান্য স্থানে, নিলফামারীর জেলা পরিষদ মিলনায়তন, রংপুরের গঙ্গাচড়ার গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প এবং একই জেলার কাউনিয়ার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিবছরের মত এবারও ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তারা নিজেদের উদ্যোগে অফিসে গরম কাপড় সংগ্রহ করে এবং অর্থ অনুদানের মাধ্যমে কম্বল ক্রয় করে।
গত বছরের মত এবারও বার্ষিক ম্যারাথন “ব্র্যাক ব্যাংক দৌড়: কল্যাণের পথচলা”-এর পূর্বে ব্যাংকের কর্মীবৃন্দের অনুদানের অর্থের মাধ্যমে মানব কল্যাণের জন্য এই তহবিল সৃষ্টি করা হয়। এই তহবিলের আংশিক অর্থ দিয়ে শীতার্তদের জন্য কম্বল ক্রয় করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের ব্যাংকের তিনটি মূল দর্শন -- মানুষ, ধরিত্রী ও মুনাফা-এর আলোকে মানবতার কল্যাণে সবসময় এগিয়ে আসে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকের আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে আমার সহকর্মীরা নিজেদের উদ্যোগে মানব কল্যাণে তহবিল সংগ্রহ করেছে তা নি:সন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। আশা করি আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কিছুটা হলেও শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সাহায্য করবে।”
|
|
|
 |
৫ ডিসেম্বর, ২০১১ সমকাল ও ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ -সৃষ্টিশীল সাহিত্য বিকাশে একসাথে কাজ করবে দু’টি প্রতিষ্ঠান |
|
|
জাতীয় সংস্কৃতি ও রুচিবোধ নির্মাণে সাহিত্যের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজের মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা, আবেগ-অনুভূতি
সাহিত্যের মাধ্যমেই কালে কালে মহৃর্ত হয়ে ওঠে। দেশের গুণী সাহিত্যিকদের কাজের মূল্যায়ন এবং উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে
এই সুকুমার শিল্পকলায় পৃষ্ঠপোষকতার উদ্দেশ্যে এ বছর ব্র্যাক ব্যাংক এবং সমকালের উদ্যোগে ‘ব্র্যাক ব্যাংক সমকাল
সাহিত্য পুরষ্কার ২০১১’ প্রবর্তন করা হচ্ছে।
৫ ডিসেম্বর, ২০১১ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে “ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার” চালুর ঘোষণা দেন
দৈনিক সমকাল-এর সম্পাদক জনাব গোলাম সারওয়ার এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
কবিতা ও কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ, আত্মজীবনী ও ভ্রমণসাহিত্য এবং তরুণ সাহিত্যিক এই তিন শাখায় পুরস্কার দেয়া হবে। প্রথম
দুই শাখার শ্রেষ্ঠ রচয়িতা এক লাখ এবং তরুণ সাহিত্যিক পাবেন পঞ্চাশ হাজার টাকা করে পুরষ্কার। এছাড়াও দেওয়া হবে
মেডেল ও সম্মাননা স্মারক। মহান ভাষার মাস ফেব্রুয়ারীতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে এবং পুরস্কার বিতরণ করা
হবে।
সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘দায়িত্বশীল গণমাধ্যম হিসেবে সমকাল এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের মানুষের মনন বিকাশে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। একারণেই সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। আমাদের বিশ্বাস, দেশের আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক বিকাশে এই নিরপেক্ষ পুরস্কার বিশেষ অবদান রাখবে।’
সৃজনশীলতা বিকাশের উদ্যোগে এগিয়ে আসার জন্য তিনি ব্র্যাক ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এ আয়োজন থেকে বোঝা যায় ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবসার পাশাপাশি তার সামাজিক দায়িত্বও পালন করছে। ব্র্যাক ব্যাংককে সাথে নিয়ে এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতে একটি সাহিত্য জাগরণের জাতীয় প্রচেষ্টায় রূপ দেয়ার চেষ্টা থাকবে।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “একটি বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্য বিকাশের উদ্যোগে এগিয়ে এসেছে। ব্র্যাক ব্যাংক গত কয়েক বছর যাবৎ বাংলা একাডেমীর অমর একুশে গ্রন্থমেলা পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। এ ছাড়া স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাংলা বানান প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে। তিনি আরও বলেন, “এই সাহিত্য পুরস্কারের উদ্যোগ নিশ্চয় দেশের লেখক, সাহিত্যিকদের অনুপ্রাণিত করবে। আর পাঠকরা পাবে রুচিশীল বই পড়ার সুযোগ। দেশের তরুণ উদীয়মান এবং
প্রতিভাবান লেখকদের সৃষিদ্বশীল কাজের একটি প্লাটফর্ম হবে এই পুরস্কার। সৃজনশীলতা ও মননশীলতা বিকাশের এই উদ্যোগে আমাদের সাথে রাখার জন্য দৈনিক সমকালকে ধন্যবাদ। আমরা চাই এই পুরস্কার দেশের সাহিত্য ক্ষেত্রে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে পরিণত হবে। ”
২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিত কবি ও লেখকদের রচিত মৌলিক সাহিত্যকর্ম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রণ করতে পারবে। একজন লেখক কেবল একটি শাখায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ১৮-৪০ বছর বয়সী লেখকদের প্রথম গ্রন্থটি তরুণ সাহিত্যিক পুরষ্কারের জন্য বিবেচিত হবে। ০৭ জানুয়ারী, ২০১২ এর ভেতর সমকাল কার্যালয়ে সাহিত্য বিভাগে ছয় কপি গ্রন্থ পাঠাতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সমকালের নির্বাহী পরিচালক জনাব এস এম শাহাব উদ্দিন, যুগ্গ্ম সম্পাদক রাশীদ উন নবী বাবু, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু সাঈদ খান, সহযোগী সম্পাদক নাসির আহমেদ এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ কর্পোরেট আ্যাফেয়ার্স জনাব জীশান কিংশুক হক । সংবাদ সম্মেলন উপস্থাপনা করেন সমকালের ফিচার সম্পাদক মাহবুব আজীজ।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. লরেন্ট থেরন্ড এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায় নেসলে-এর পরিবেশকরা কফি ভেন্ডিং মেশিন ক্রয়ের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা পাবে।
|
|
|
 |
১৪ নভেম্বর, ২০১১ কক্সবাজারে এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিক ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এস.এম.ই) মেলায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান গত ১২ নভেম্বর, ২০১১ তিনদিনব্যাপী “এস.এম.ই. সৈকত উৎসব-২০১১” শীর্ষক এই মেলার উদ্বোধন করেন। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের কয়েকজন গ্রাহকের নিকট ঋণ অনুমোদনপত্র হসত্মানত্মর করেন। জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) এই মেলার আয়োজন করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের তাৎক্ষণিক ঋণ গ্রহীতারা হলেন -- মেসার্স নিউ মিজান ব্রাদাস-এর জনাব মিজানুর রহমান, মেসার্স রমজান এন্টারপ্রাইজ-এর জনাব রমজান আলী এবং মেসার্স শামসুন্নাহার এন্ড শিফা-এর মিসেস মোমেনা আক্তার। এদের মাঝে ঐ দিন মোট ৯১ লাখ টাকার এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করে ব্র্যাক ব্যাংক।
জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) এর সভাপতি জনাব শেখ মোহাম্মদ আবদুস সোবহান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব হেমায়েত উদ্দিন তালুকদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জনাব এস. এম মনিরুজ্জামান, ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, নাসিবের কর্মকর্তাবৃন্দ, মেলায় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ ও উদ্যোক্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের কনিষ্ঠতম ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এস.এম.ই) এ বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আসছে। প্রতিষ্ঠার ১০ বছরের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার উদ্যোক্তাকে ১৪,৫০০ কোটি টাকা এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করেছে। এর ফলে লাখ লাখ উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হয়েছে আর সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য কর্মসংস্থানের।
|
|
|
 |
৩ নভেম্বর, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক-এর ৮ম বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ৮ম বিশেষ সাধারণ সভা আজ ৩ নভেম্বর, ২০১১ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় উপস্থিত সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ কোম্পানীর শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০ টির পরিবর্তে ৫০০ টি করার প্রস্তাব অনুমোদন করেন।
সভায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমতিক্রমে ব্র্যাংকের অনুমোদিত শেয়ার মূলধন ৪৮০ কোটি টাকা যা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ৪.৮০ কোটি শেয়ার বিভক্ত ছিল তা, ১,২০০ কোটি টাকা, যা প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১২০ কোটি শেয়ারে বিভক্ত উন্নীত করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর পরিচালক জনাব এস এন কৈরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং কোম্পানী সেক্রেটারী জনাব রেইস উদ্দীন আহ্মাদ।
বিশেষ সাধারণ সভায় জনাব এস এন কৈরী কোম্পানীর প্রতি ধারাবাহিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য শেয়ারহোল্ডার, স্টেকহোল্ডার এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
ঢাকার গুলশানের স্প্রেক্টট্রা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
প্রেসিডেন্সী ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীরা তাদের কম্পিউটার ল্যাবের জন্য নতুন কম্পিউটার পেয়েছে। |
|
|
প্রেসিডেন্সী ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীরা তাদের কম্পিউটার ল্যাবের জন্য নতুন কম্পিউটার পেয়েছে। ১ নভেম্বর, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রেসিডেন্সী ইউনিভার্সিটির উপচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন-এর নিকট দু’টি কম্পিউটার হস্তান্তর করেন।
|
|
|
 |
১৩ অক্টোবর, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইআরআরআই)-এর গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ছয় লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইআরআরআই)-এর গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ছয় লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেছে। ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ১৩ অক্টোবর, ২০১১ আইআরআরআই-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট-এর বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন-এর নিকট এই চেক হস্তান্তর করেন।
|
|
|
 |
কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে দেশের প্রথম কৃষক কার্ড |
|
|
সময়ের কাজ সময়েই ভাল। একজন প্রবীণ কৃষক হিসেবে মাইনুল ইসলাম তা ভাল করেই জানেন। মৌসুমের নির্দিষ্ট সময়ে বীজ বপন যেমন জরুরী তেমনি জরুরী সময়মতো সেচ, সার, নিরানী, কীটনাশক দেয়া। ফলস সময়মতো কাটাও ভাল ফলনের একটি শর্ত। সময়মতো এর কোন একটি না হলে ভাল ফলন পাওয়া যায় না।
তবে ইচ্ছা সত্ত্বেও সময়মতো অনেক কাজ করতে পারেন না। মৌসুমের শুরুতে ফলনের সময় টাকার অভাবে সময়মতো এইসব কৃষি উপকরণের ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হন বারবার। দিনরাত পরিশ্রমের পরও ফলন পান কম। ফলন ঘরে ওঠানোর পর হাতে টাকা আসে কিন্তু তখন দেরী হয়ে গেছে। কারণ সময়ের কাজ সময়েই করা দরকার।
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা গ্রামের মাইনুল কখনোই কল্পনা করেননি তার কৃষিজীবনের এই সমস্যা ব্যাংকগুলো সমধান করতে পারবে। যুগ পরম্পরায় তার পূর্ব পুরুষদের জীবনে একই অবস্থা দেখেছেন। কায়িক শ্রম ও যত্নের পরও ফলন কম এটাই যেন নিয়ম হয়ে গেছে।
ফলন মৌসুমে এই সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কৃষকদের জন্য ডেবিট কার্ড নিয়ে এলো ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। কৃষক কার্ডের সাহায্যে বীজ রোপনের মৌসুমে কৃষক ঋণ নিয়ে বীজ, সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতী অন্যান্য সামগ্রী কিনতে পারবেন এবং শস্য ঘরে তোলার পর টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। এই কার্ডের সাহায্যে কৃষক প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন সময় নগদ টাকাও তুলতে পারবেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ‘কৃষক কার্ড’ এর মাধ্যমে কৃষকরা টার্ম ঋণের পরিবর্তে কম সুদের রিভলবিং ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি অর্থায়ন নীতিমালা অনুযায়ী মাত্র ১৩ শতাংশ হারে এই কার্ডের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক দশ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদান করছে।
এর ফলে সঠিক সময়ে কৃষকরা কৃষি সামগ্রী কিনতে পারবেন। এর ফলে সময়মতো বেশী পরিমাণে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন যা জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলন মৌসুমে কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য কৃষক কার্ড একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।
৫ অক্টোবর, ২০১১ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা গ্রামে এক অনুষ্ঠানে শ’খানেক মাইনুল ইসলামের মত কৃষকদের কার্ড বিতরণের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক তাদের ‘কৃষক কার্ড’-এর শুভসূচনা করে। কৃষিবিদ জনাব শাইখ সিরাজ এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করেন।
কার্ড হাতে পেয়ে তার প্রতিক্রিয়ার কৃষক মাইনুল বলেন, “আবাদের মৌসুমে হাতে টাকা থাকে না। কিন' চাষের জন্য, বীজ, সার ও কীটনাশকের জন্য অনেক টাকা দরকার হয়। সময়মতো এর ব্যবস্থা করতে না পেরে ফলন কম পাই। ব্র্যাক ব্যাংকের এই কার্ড দিয়ে বীজ, সার কেনা যাবে। এমন দিন আসবে স্বপ্নেও ভাবিনি।”
জনাব শাইখ সিরাজ বলেন, “আমার স্বপ্ন ছিল কৃষকরা একদিন কার্ডের মাধ্যমে পণ্য কিনবে। আজ সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিল। ভবিষ্যতে প্রযুক্তির সহায়তায় কৃষি আরও উৎকর্ষতা পাবে ও এগিয়ে যাবে। এই পদক্ষেপের ফলে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা লাখ লাখ মানুষ ব্যাংকিং সুবিধার আওতায় আসবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা মহাজনী দৌরাত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে।”
কৃষক কার্ড সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এস.এম.ই) খাতের ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই গণমানুষের জন্য উদ্ভাবনী সেবা নিয়ে এসেছে। আমাদের ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা মানুষদের অর্থনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কৃষক কার্ড চালু করা হলো। প্রাথমিকভাবে ঝিনাইদহের চালু হলেও দেশের অন্যান্য স্থানের কৃষকরা শীঘ্রই এই সুবিধা পাবেন।”
মাইনুল ইসলামের মতো দেশের অসংখ্য কৃষক মহাজনের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে ব্যাংক ঋণের সাহায্যে আর্থিক স্বাধীনতা পাবে। তাই বাংলাদেশের পরিশ্রমী কৃষক সম্প্রদায়ের নতুন সম্ভাবনার সূচনা করলো এই প্লাস্টিক কার্ড। কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এই কার্ড।
|
|
|
 |
৩ অক্টোবর, ২০১১ এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন পদক্ষেপ |
|
|
এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
দেশের সবচেয়ে বড় এস.এম.ই ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উদ্যোক্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা জ্ঞান বাড়ানোর জন্য দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রথমবারের মতো “আমার হিসাব” শীরোনামের কর্মশালার আয়োজন করেছে।
গাজীপুরের ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ৪৬ জন ব্যবসায়ী এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। এই কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন এবং ব্যালেন্স সিটসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিবরণী নিজেরাই তৈরি করতে পারবেন। এই প্রশিক্ষণের পর ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অবস্থা ও লাভ-ক্ষতি সঠিকভাবে নিরূপন করতে পারবেন। এর ফলে তাদের ঋণ পেতে সুবিধা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব মো: আবুল কাশেম গত ১ অক্টোবর, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের জয়দেবপুর শাখায় পাঁচ দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
এস.এম.ই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, এস.এম.ই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব মো: আবুল কাশেম বলেন, “গ্রাহকদের সচেতনা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংকিং খাত এগিয়ে আসছে এ জন্য আমি আনন্দিত। ব্র্যাক ব্যাংকের এই কর্মশালার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা কার্যকরভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য মৌলিক আর্থিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।”
এস.এম.ই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির বলেন, “উদ্যোক্তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের এই কর্মশালা ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সুসংগঠিতভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এই কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা সঠিক পদ্ধতিতে হিসাবরক্ষণ করতে পারবে। এর ফলে ব্যবসায়িক মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে।”
বিআইআইডিএস-এর অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা এ কর্মশালা পরিচালনা করছেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির এ. চৌধুরী এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংক গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহকদের প্রিমিয়াম গ্রহণসহ কোম্পানীকে অন্যান্য ক্যাশ ব্যবস্থাপনা সার্ভিস প্রদান করবে। ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাস্টোডিয়াল সার্ভিসেস জনাব খাজা শাহরিয়ার এবং গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও ফারজানা চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য উৎসবে এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিক ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
রাঙ্গামাটিতে অনুষ্ঠিত পার্বত্য উৎসবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এস.এম.ই) পাঁচজন স্থানীয় উদ্যোক্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ-এর চেয়ারম্যান জনাব নিখিল কুমার চাকমা গত ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১ পাঁচদিনব্যাপী “নাসিব পার্বত্য উৎসব-২০১১” শীর্ষক এই মেলার উদ্বোধন করেন। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের কয়েকজন গ্রাহকের নিকট ঋণ অনুমোদনপত্র হস্তান্তর করেন। জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) এই মেলার আয়োজন করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের তাৎক্ষণিক ঋণ গ্রহীতারা হলেন -- মেসার্স মদীনা ইলেকট্রনিক্স এন্ড গার্মেন্টস-এর মো: ফকরুল ইসলাম, মেসার্স সুশিলা চাকমা-এর সুশিলা চাকমা, ঢাকা ইলেকট্রিক ও কুকারিস-এর মো: মোফাজ্জল, মেসার্স মোহন সেবলী স্টোরের মনোহরী বড়ুয়া এবং মেসার্স নাইস আইস ফ্যাশন-এর বাতায়ন চাকমা। এদের মাঝে ঐ দিন মোট ২২ লাখ টাকার এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মাননীয় ডেপুটি গভর্নর জনাব মো: আবুল কাশেম, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) এর সভাপতি জনাব শেখ মোহাম্মদ আবদুস সোবহান, ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, নাসিবের কর্মকর্তাবৃন্দ, মেলায় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ ও উদ্যোক্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি একটি সম্ভাবনাময় জায়গা। এস.এম.ই খাতের ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, এই মেলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা ঋণ সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে। এই মেলা আয়োজনের জন্য তিনি নাসিবকে ধন্যবাদ জানান।
দেশের কনিষ্ঠতম ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এস.এম.ই) এ বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আসছে। প্রতিষ্ঠার ১০ বছরের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার উদ্যোক্তাকে ১৪,৫০০ কোটি টাকা এস.এম.ই ঋণ বিতরণ করেছে। এর ফলে লাখ লাখ উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হয়েছে আর সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য কর্মসংস্থানের।
|
|
|
 |
ময়মনসিংহের ভালুকায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও দেশের অন্যতম বৃহত্তম মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষের একটি প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। |
|
|
ময়মনসিংহের ভালুকায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও দেশের অন্যতম বৃহত্তম মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষের একটি প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ঋণ অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের এস.এম.ই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এবং মিরাকেল হ্যাচারি এন্ড এ্যাকোয়া ফার্মের ম্যানেজিং পার্টনার জনাব আব্দুল মুকিম চৌধুরী। এ সময় এস.এম.ই ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান জনাব আফতাব উল ইসলাম এবং ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফ ওমেন অনট্রাপ্রেন্যার |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি এস.এম.ই খাতের মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য ঢাকায় “ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফ ওমেন অনট্রাপ্রেন্যার” শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করে। ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ স্মল এন্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রি অফ বাংলাদেশ এবং ওমেন অনট্রাপ্রেন্যারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-এর সদস্যবৃন্দ এতে অংশ নেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার, এস.এম.ই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট জনাব সুকোমল সিংহ চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, এস.এম.ই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তাহ্নিয়াত আহমেদ করিম কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ড্রাগন এয়ারলাইন্স-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ড্রাগন এয়ারলাইন্স-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান এবং ড্রাগন এয়ার ও ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজ-এর -- বাংলাদেশ, ভুটান ও ইস্ট ইন্ডিয়ার সেলস ও মার্কেটিং ম্যানেজার জনাব এম. মোরশেদ আমিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তির আওতায় যেসব ছাত্রছাত্রী অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকে ‘স্টুডেন্ট ফাইল’ খুলবে তারা ড্রাগন এয়ারের মাধ্যমে ভ্রমণ করলে নিয়মিত ব্যাগেজের অতিরিক্ত ২০ কেজি সাথে নিতে পারবে।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি প্রধান কার্যালয়ে ডে-কেয়ার সেন্টার ‘ক্রেইশ’ চালু করেছে |
|
|
অফিস চলাকালীন সময়ে কর্মকর্তাদের ছোট শিশুদের সযত্ন দেখাশুনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি প্রধান কার্যালয়ে ডে-কেয়ার সেন্টার ‘ক্রেইশ’ চালু করেছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের প্রথম এই ডে-কেয়ার সেন্টারটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান । এ সময় ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
৩ আগস্ট, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সিটি সিডস ক্রাসিং ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য ১,০৯২.৫০ মিলিয়ন টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ |
|
|
সিটি সিড ক্রাসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের জন্য ১,০৯২.৫০ মিলিয়ন টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণের ব্যবস্থা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
এই অর্থের সাহায্যে নারায়ণগঞ্জের রূপসীতে অবস্থিত কোম্পানীর সিড ক্রাসিং স্থাপনা সম্প্রসারণ করা হবে এবং অপরিশোধিত ভোজ্য তেল ও অয়েল কেক তৈরি করা হবে। এই ওয়েল কেক পোল্ট্রি, মৎস্য ও গবাদি পশুর খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। এই প্রকল্পটি দেশের আমদানী-নির্ভর ভোজ্যতেল ও ফার্ম ফিড খাতের পশ্চাদ সংযোগ শিল্প গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
ব্র্যাক ব্যাংক এই সিন্ডিকেটেড ঋণের লিড অ্যারেঞ্জার ও এজেন্ট। ব্র্যাক ব্যাংক ছাড়াও এই সিন্ডিকেট ঋণের অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, পুবালী ব্যাংক লিমিটেড এবং সৌদি-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এগ্রিকালচারাল ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড।
গত ২৪ জুলাই, ২০১১ ঢাকার একটি হোটেলে ঋণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সিটি গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান জনাব ফজলুর রহমান, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আনিস এ. খান, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত ব্যবসস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: ফকরুল আলম, পুবালী ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাহবুব মোস্তাফিজুর রহমান, দ্যা সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সোহেল আর. কে. হোসেন এবং সৌদি-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এগ্রিকালচারাল ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাজী সায়রুল হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আহসান-উজ জামান, ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব মাহমুদুন নবী চৌধুরী, করপোরেট ইন্সটিটিউশনস ও স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স-এর প্রধান জনাব সৈয়দ গোলাম মারুফ ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের জন্য টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের জন্য টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠার ১০ বছর উপলক্ষে ব্যাংকের কর্মীদের জন্য মূল্যবোধ ক্রিস্টাল (ঈজণঝঞঅখ) আনুষ্ঠানিকভাবে উম্মোচন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের জন্য টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের জন্য টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করে। ব্যাংকের প্রতিষ্ঠার ১০ বছর উপলক্ষে ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ও ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্যাংকে ১০ বছর কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্মাননা প্রদান করেন। এ সময় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৫ জুলাই, ২০১১ টাঙ্গাইল ও ঘাটাইলে নতুন শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য কম্পিউটার প্রদান করলো ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এবার এলো টাঙ্গাইল ও ঘাটাইলে। শাখা উদ্বোধনের পাশাপাশি নিকটবর্তী সলস্না সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য কম্পিউটার প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী ২৫ জুলাই, ২০১১ টাঙ্গাইল শাখা ও ঘাটাইল এসএমই/কৃষি শাখা উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল শাখায় এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী সলস্না সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: সাদেক আলী মোল্লার নিকট দু’টি কম্পিউটর হস্তান্তর করেন।
এ উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী বলেন, , “ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই যে এলাকায় ও যাদের সাথে কাজ করে তাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করে। আমাদের প্রধান তিনটি দর্শন -- মানুষ, ধরিত্রী ও মুনাফা -- এর আলোকে ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবসার পাশাপাশি মানুষ ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। আমাদের এই নতুন শাখা এলাকার মানুষকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে। আর আমাদের এই ক্ষুদ্র সহায়তায় এই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ পাবে।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সর্বোকৃষ্ট ব্যাংকিং সেবা জনসাধারণের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য দেশব্যাপী শাখা সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা গ্রামীণ জনপদে আমাদের সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এ শাখা উদ্বোধনের ফলে এ এলাকার মানুষ এখন স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে অন-লাইন ও সর্বাধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পাবেন।”
এই দু‘টি নতুন শাখার উদ্বোধনের ফলে এসএমই/কৃষি শাখা ও এসএমই সার্ভিস সেন্টার-সহ ব্র্যাক ব্যাংকের মোট শাখার সংখ্যা হলো ১৫১। এই উদ্বোধনের ফলে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহৎ অন-লাইন ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে পরিণত হলো।
টাঙ্গাইল শাখাটি শহরের মেইন রোডে টাঙ্গাইল টাওয়ারে এবং ঘাটাইল এসএমই/কৃষি শাখাটি ঘাটাইলের কলেজ মোড়ে কাজীম উদ্দিন সুপার মার্কেটে অবসি'ত। উদ্বোধনের দিনে পুরো এলাকা দু’টিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীবৃন্দ ও ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২১ জুলাই, ২০১১ জনসাধারণের জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা নিয়ে এলো বিকাশ |
|
|
বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, বিকাশ লিমিটেড, যা ব্র্যাক ব্যাংকের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, আজ ২১ জুলাই, ২০১১ কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বিকাশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। তার মতে, বিকাশের কার্যক্রম বাংলাদেশের অগ্রসরতায় একটি বড় মাইলফলকের পাশাপাশি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংকিং ও টেলিকম খাতের কাজ করার এক অনন্য নজির।
বমোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবার বাইরে ও আওতায় থাকা জনসাধারণের নিকট ফাইন্যান্সিয়াল সেবা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে বিকাশ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিকাশের প্রধান সুবিধা হলো: এটি টাকা রাখার জন্য নিরাপদ, সুবিধাজনক একটি মাধ্যম, টাকা পরিশোধ ও পাঠানোর জন্যও সহজ মাধ্যম।
ববিকাশ মোবাইল ওয়ালেট, ভিসা প্রযুক্তির একটি প্লাটফর্ম যা পুরোপুরি কোডবদ্ধ তাই লেনদেন সম্পূর্ণ নিরাপদ। বিকাশ ওয়ালেটই হবে গ্রাহকের এ্যাকাউন্ট যেখানে তিনি টাকা জমা দিতে পারবেন ও উত্তোলন করতে পারবেন এবং বিভিন্ন সেবার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। এই এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রাহক তার বেতন, ঋণ, স্থানীয় রেমিটেন্স ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারবেন এবং দেশব্যাপী বিকাশের এজেন্টদের সাহায্যে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
বফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড বিকাশের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে রবির গ্রাহকরা এর ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্টের মাধ্যমে এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবে। পাশাপাশি, দেশজুড়ে ব্র্যাকের অফিসেও গ্রাহক বিকাশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
বব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ এই উপলক্ষে বলেন, “বিকাশ-এর মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা দেশের লাখ লাখ মানুষ যাদের মোবাইল ফোন আছে তারা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে এবং নিরাপদে টাকা জমা দিতে, লেনদেন করতে ও পাঠাতে পারবে।”
ববর্তমানে ৫০০-ও বেশি এজেন্টের মাধ্যমে বিকাশ যাত্রা শুরু করছে এবং প্রতি মাসে শতশত এজেন্ট এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া বিকাশ স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) ও একসেস টু ইনফরমেশনের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই দু’ই প্রতিষ্ঠানের ৪,৫০১ ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের নিকট ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেবে।
ববাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘‘বিকাশের মাধ্যমে অর্থ জমা করা যাবে এবং বিভিন্ন কাজের জন্য অর্থ উত্তোলন ও ব্যবহার করা যাবে। এ ফলে গ্রামীণ জনপদে অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা সৃষ্টি হবে। এই কার্যক্রমকে আরো গ্রাহকবান্ধন করার জন্য সকল মোবাইল অপারেটর যেন কাঙ্গিত ইন্টারঅপারেবিলিটি দ্রুত নিশ্চিত করে সেজন্য আমি সংশ্লিষ্ট রেগুলেটরকে অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করি সকল মোবাইল অপারেটরই স্বীয় স্বার্থেই এই ডাকে সাড়া দেবে। আমি বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক ও রবিকে এই উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানাই।”
ববিকাশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কামাল কাদির বলেন, “মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এবং আমাদের পেশাদারী দক্ষতায় আমরা বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের কাঙ্খিত চাহিদা পূরণ করতে পারবো। আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের, ব্যবসার ও কম্যুনিটির চাহিদা অনুযায়ী গড়ে উঠছি।”
বব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী বলেন, “আর্থিক সেবার পরিধি সম্প্রসারিত করার লক্ষ্য নিয়ে বিকাশ এই ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আসে। এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি বর্ধিত সেবা এবং মোবাইল ফোন-ভিত্তিক পেমেন্ট সুইচ হিসেবে কাজ করবে। এদেশে ৮৩ শতাংশ মানুষ দৈনিক দুই ডলারের কম আয় করে। মোবাইল ব্যাংকিং এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করবে এবং আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করবে।”
বরবি আজিয়াটা লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মাইকেল কুয়েনার বলেন এই প্রথম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান একটি মোবাইল অপারেটরের সাথে অংশীদারিত্বের সাথে কাজ শুরু করছে। এর ফলে গ্রাহকরা অর্থ লেনদেনসহ ফাইন্যান্সিয়াল সেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
বব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “মানুষের অর্থ লেনদেনের মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বিকাশ। আর্থিক সেবার জন্য গ্রাহকদের ব্যাংকে যেতে হবে না, এখন ব্যাংকই গ্রাহকের নিকট চলে আসবে। এটি মেন্যুভিত্তিক তাই যে কেউ তার মোবাইলে সহজে ব্যাংকিং করতে পারবে - যেকোন সাধারণ সেট হলেই চলবে।”
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)-এর “মোস্ট এ্যাকটিভ গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম ইস্যুইং ব্যাংক ইন সাইথ এশিয়া-২০১০” এ্যাওয়ার্ড লাভ |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)-এর “মোস্ট এ্যাকটিভ গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম ইস্যুইং ব্যাংক ইন সাইথ এশিয়া-২০১০” এ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে। সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আইএফসি’এর চতুর্থ বার্ষিক গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম (জিটিএফপি) ব্যাংক পার্টনার্স মিটিং-এ এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব মাহমুদুন নবী চৌধুরী।
|
|
|
 |
১০ জুলাই, ২০১১ দেশীয় মুদ্রায় দেশের প্রথম ‘রেঞ্জ ফরওয়ার্ড কন্ট্রাক্ট’ বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক ও ম্যারিকো বাংলাদেশ-এর চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিয়োজিত কোম্পানীর জন্য ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি থেকে মুক্তির জন্য ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে এলো দেশের প্রথম স্থানীয় মুদ্রার ‘রেঞ্জ ফরওয়ার্ড কন্ট্রাক্ট’।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড সমপ্রতি দেশে প্রথমবারের মতো এই ‘রেঞ্জ ফরওয়ার্ড কন্ট্রাক্ট’ স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে ব্র্যাক ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট মূল্য সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডকে বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য পরিবর্তের ঝুঁকি কাটিয়ে ওঠতে সাহায্য করবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব রোহিত জাসওয়াল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ট্রেজারী এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশনস জনাব মোহাম্মদ রহমত পাশা, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর হেড অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স এন্ড ইনভেস্টর রিলেশনস ও কোম্পানী সেক্রেটারী জনাব ইকবাল চৌধুরী এবং প্রতিষ্ঠান দু’টির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপসি'ত ছিলেন।
এই ধরনের চুক্তির সাহায্যে আমদানীকরক প্রতিষ্ঠানসমূহ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের অনিশ্চয়তা ও ব্যবসায় এর ঝুঁকি কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে। এই মুল্য সাশ্রয়ী পদক্ষেপের মাধ্যমে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসমূহ উপকৃত হবে। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে নতুন ডিরাইভেটিভ নিয়ে এলো যা আগে ছিল না।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এ চুক্তি সম্পর্কে বলেন, ‘‘গ্রাহদের সুনির্দিষ্ট চাহিদার পূরণের জন্য আমরা এই নতুন সেবা নিয়ে এসেছি। বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে এই উদ্ভাবনী সেবা গ্রহণের মাধ্যমে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসূহ মুদ্রার মূল্য ওঠানামা ঝুঁকি কাটিয়ে ওঠে স্বাচ্ছ্বন্দে ব্যবসা করতে পারবে।”
এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ট্রেজারী এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সন্টিটিউশনস জনাব মোহাম্মদ রহমত পাশা বলেন, ‘‘বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে এটি একটি মাইলফলক। এ সাহায্যে মুদ্রা বাজারের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানসমূহ ঝুঁকিমুক্তভাবে ব্যবসা করতে পারবে।”
এই চুক্তির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ডিরাইভেটিভ বাজার প্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা ও ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হলো। রেঞ্জ ফরওয়ার্ড একটি নতুন ধরনের ডিরাইভেটিভ যার ফলে একটি প্রাইস ব্যান্ডের সাহায্যে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি মুক্ত থাকতে পারবে। দেশের অর্থনৈতিক বাজার সমপ্রসারণের সাথে সাথে বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের যথাযথা দিকনির্দেশনায় বৈদেশিক মুদ্রা ডিরাইভেটিভ বাজার সমপ্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
|
|
|
 |
০৭ জুলাই, ২০১১ এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের আনন্দসন্ধ্যা |
|
|
এস.এম.ই গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি আয়োজন করে এক আনন্দসন্ধ্যা।
ব্র্যাক ব্যাংকের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রাহকদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য এই আনন্দসন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। গত ২৫ জুন, ২০১১ ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সফলতম এস.এম.ই গ্রাহকরা যোগ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস'াপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
এছাড়া আরও উপসি'ত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, এস.এম.ই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এস.এম.ই গ্রাহকদের উদ্দেশ্য ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আপনারা ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের অর্থনীতিকে। অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে অবদান রাখছেন দেশের উন্নয়নে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। আপনাদের উৎসাহ ও সমর্থনে দেশের সকল এস.এম.ই উদ্যোক্তাদের নিকট ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেবো।”
তিনি গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান আর বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক দেশের সবচেয়ে তরম্নণ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ১০ বছরের মধ্যে আমরা দেশব্যাপী ৩,৬৫,০০০-এরও বেশী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার স্বপ্নের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি। আপনাদের সহযোগিতা ও প্রেরণা ছাড়া আমাদের এ পথচলা এতো সফল হতো না। আপনাদের অবিচল আস্থায় ব্র্যাক ব্যাংক আজ ১২ লাখ গ্রাহকের এক বিশাল পরিবার।”
র্যাফেল ড্রয়ের ম্যাধমে গ্রাহকরা জিতে নেন এয়ার টিকেটসহ আকষণীয় উপহার। মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
|
|
|
 |
২ জুলাই, ২০১১ বিকাশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ব্র্যাক ব্যাংক অবিচল আস্থার ১০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ঘোষণা |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের কোটি মানুষ মোবাইল ফোনের সাহায্যে ব্যাংকিং সেবা পাবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই সেবা চালু হবে। ব্র্যাক ব্যাংকের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি-ইন-মোশন-এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’ জনসাধারণকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের জন্য সম্পূর্ণ কোডবদ্ধ ভিসা টেকনোলজি প্লাটফর্ম ব্যবহার করবে।
সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বিকাশ মানুষের ব্যাংকিং করার মৌলিক পদ্ধতিই বদলে দিবে। কেননা সব ধরনের লেনদেন মোবাইলের মাধ্যমেই করা যাবে। এখন গ্রাহক ব্যাংকের কাছে আসবে না, ব্যাংকই গ্রাহকের কাছে আসবে।”
ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে এই সেবার আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্য নিয়ে দশ বছর আগে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ব্যবসায়িক মডেল খুবই সাধারণ -- ‘শহুরে এলাকা থেকে আমানত সংগ্রহ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিকট ঋণ পৌঁছে দেয়া।’ সাধারণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসার অগ্রযাত্রার পথে বিকাশের সাথে অত্যাধুনিক ও নিরাপদ মোবাইল ব্যাংকিং-এর পদক্ষেপ এক নতুন অগ্রগতি।
জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “মোবাইল ফোন হবে আপনার ওয়ালেট। যেকোন ধরনের এমনকি সবচেয়ে কম দামি মোবাইল হ্যান্ডসেটের মাধ্যমেও গ্রাহক এ সেবা গ্রহণ করতে পারবে। এটি হবে মেন্যুভিত্তিক তাই যে কেউ অতি সহজে তার মোবাইলে ব্যাংকিং করতে পারবে।”
দেশের সবচেয়ে কনিষ্ঠতম ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে অনেক নজির সৃষ্টি করেছে। বারো লাখ গ্রাহক অর্জন, এস.এম.ই খাতে অর্থায়নের সাথে সাথে ব্যাংকিং-এর অন্যান্য ড়্গেত্রেও আছে সক্রিয় উপসি'তি। অমনিবাস, এলডোরাডো, সরকারী বেসরকারী যৌথ উদ্যোগ (পি.পি.পি.) এর মতো যুগানত্মকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রযুক্তিবান্ধব প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক ব্যাংকিং সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য দ্রুত ও সহজলভ্য করেছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “সবচেয়ে নবীন বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে আমরা তৃণমূল পর্যায়ের তিন লাখ পয়ষট্টি হাজার এস.এম.ই গ্রাহককে সেবা দিচ্ছি। যার ফলে আমরা আজ দেশের সবচেয়ে বড় এস.এম.ই ব্যাংক। আর বিশ্ব অঙ্গনে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশী ব্যাংকের সুনাম।”
ব্র্যাক ব্যাংক পিপল, প্লানেট ও প্রফিট বা মানুষ, ধরিত্রী ও মুনাফা এই তিনটি দর্শন নিয়ে কাজ করে। এছাড়া গ্রীন ব্যাংকিং নিয়েও কাজ করছে ব্র্যাক ব্যাংক। ইতোমধ্যেই ২২টি এস.এম.ই ইউনিট অফিসে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হয়েছে। ২০১২ সালের মধ্যে বাকি সকল এস.এম.ই অফিসকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে সম্পাদনের জন্য “নবায়নযোগ্য জ্বালানী ডেক্স” চালু করা হয়েছে।
“ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ব্র্যাক ব্যাংক। অতি সম্প্রতি আমরা লিবিয়া ফেরত প্রবাসীদের সহায়তার জন্য ব্র্যাকের সাথে কাজ শুরু করেছি,” বলেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব জীশান কিংশুক হক।
বিকাশ ইতোমধ্যেই একটি মোবাইল কোম্পানীর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং অন্যান্য মোবাইল অপারেটরের সাথে চুক্তির জন্য আলোচনা করছে। এসব চুক্তির পর দেশের সাড়ে সাত কোটি মোবাইল গ্রাহক আলাদা আলাদা ডিজিটাল ওয়ালেটের সাহায্যে মোবাইল ব্যাংকিং করতে পারবে। এই সেবার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এজেন্টরাও মোবাইল গ্রাহকদের বাইরেও অন্যান্যদের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে পারবে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ও স্থানীয় সরকার বিভাগ-এর সহায়তায় বিকাশ দেশব্যাপী ৪,৫০১টি ইউনিয়ন পরিষদে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে। যেকোন মোবাইল ব্যবহারকারীরা বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে এবং মোবাইলের মাধ্যমে সহজে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্ভরতার সাথে লেনদেন করতে পারবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, হেড অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব জীশান কিংশুক হক এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
৩০ জুন, ২০১১ চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী ইকুইটি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী ইকুইটি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ রিটেইল লেন্ডিং জনাব সরদার আক্তার হামেদ এবং ইকুইটি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট-এর পরিচালক জনাব মাহফুজুল হক চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের হোম লোন ‘আপন ঘর’ এর গ্রাহক ইকুইটি প্রপার্টি থেকে বিশেষ মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
৩০ জুন, ২০১১ চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী ইটারনাল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী ইটারনাল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ রিটেইল লেন্ডিং জনাব সরদার আক্তার হামেদ এবং ইটারনাল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এ কে এম এমতাজুল ইসলাম চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের হোম লোন ‘আপন ঘর’ এর গ্রাহক ইটারনাল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট থেকে বিশেষ মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
৩০ জুন, ২০১১ চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী সানমার প্রপার্টিজের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি চট্টগ্রামের অন্যতম আবাসন কোম্পানী সানমার প্রপার্টিজের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান এবং সানমার প্রপার্টিজের মহাব্যবস্থাপক, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ও কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব সালিম বিন সালেহ চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাড়্গর করেন। এ চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের হোম লোন ‘আপন ঘর’ এর গ্রাহকরা সানমার প্রপার্টিজ থেকে বিশেষ মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইনা্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) সম্প্রতি চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইনা্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড আইএফসি’র নিকট থেকে বৈদেশিক বাণিজ্য অর্থায়নের জন্য ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সুবিধা পাবে। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং আইএফসি’র কান্ট্রি ম্যানেজার (বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপাল) মি. কাইল এফ. কেলহোফার সম্প্রতি ঢাকায় এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
|
|
|
 |
২৬ জুন, ২০১১ আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকায় ব্র্যাক ব্যাংক একটি নতুন শাখা উদ্বোধন করেছে |
|
|
আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকায় ব্র্যাক ব্যাংক একটি নতুন শাখা উদ্বোধন করেছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান শহরের এনায়েত বাজারে হাজী এম রহমান ম্যানশনে এ শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
">২৬ জুন, ২০১১ আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক চট্টগ্রামের মুরাদপুরে একটি নতুন শাখা উদ্বোধন |
|
|
আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক চট্টগ্রামের মুরাদপুরে একটি নতুন শাখা উদ্বোধন করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান শহরের রমনা ট্রেড সেন্টারে এ শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২১ জুন, ২০১১ মানিকগঞ্জে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রথম সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক শাখা চালু |
|
|
দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এবার এলো মানিকগঞ্জে। ব্র্যাক ব্যাংকের প্রথম শাখা হিসেবে এ শাখায় বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। পরিবেশের প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ শাখায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ২১ জুন, ২০১১ মানিকগঞ্জের শহীদ রফিক সড়কে এ নতুন শাখার উদ্বোধন করেন।
এই নতুন শাখার উদ্বোধনের ফলে এসএমই/কৃষি শাখা ও এসএমই সার্ভিস সেন্টার-সহ ব্র্যাক ব্যাংকের মোট শাখার সংখ্যা হলো ১৫১। এই উদ্বোধনের ফলে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহৎ অন-লাইন ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে পরিণত হলো।
এ উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সর্বোকৃষ্ট ব্যাংকিং সেবা জনসাধারণের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য দেশব্যাপী শাখা সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। পরিবেশের প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ শাখায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশব্যাপী সকল এসএমই ইউনিট অফিসে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক মানুষ, ধরিত্রী ও মুনাফা -- এই তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করে। এই দর্শনের আলোকে আমাদের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বছরে আমরা গ্রীন ব্যাংকিং-এর বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছি এবং গ্রাহকদের জন্য আরও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবা চালু করছি।”
মানিকগঞ্জ শাখাটি শহরের শহীদ রফিক সড়কের চাঁদনী মার্কেটে, হোল্ডিং নং- ১৯৪ এ অবসি'ত। উদ্বোধনের দিনে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীবৃন্দ ও ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
১৯ জুন, ২০১১ বাবা দিবস উদযাপন করলো ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা |
|
|
বাবার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আস্থা প্রকাশের মাধ্যমে বাবা দিবস উদযাপন করলেন ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা।
১৯ জুন বাবা দিবসে ব্র্যাক ব্যাংকের সকল শাখা, এস.এম.ই ইউনিট অফিসসহ সকল বিভাগের কর্মীরা বাবার বিভিন্ন স্মৃতিকথা, কবিতা, ছড়া, ছবি নিয়ে দেয়াল পত্রিকা তৈরি করে। বাবা দিবসে এই দেয়াল পত্রিকা অফিসে টানিয়ে রাখা হয়। এগুলোর মধ্য থেকে তিনটি সেরা দেয়াল পত্রিকা নির্বাচন করা হবে এবং ব্যাংকের পরবর্তী টাউন হল মিটিংয়ে দেয়া হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
এ উপলড়্গে সকল কর্মীর জন্য ব্র্যাক ব্যাংক প্রকাশ করে বিশেষ ফটো ফ্রেম। এই ফটো ফ্রেমে সকল কর্মী নিজ বাবার ছবি সাজিয়ে বাবার প্রতি অকৃত্রিম ও শর্তহীন ভালোবাসা প্রকাশ করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বাবার প্রতি আমাদের সকলের ভালোবাসা চিরন্তন ও অকৃত্রিম। বাবার প্রতি আস্থা, ভালোবাসা ও আবেগের বহি:প্রকাশের জন্যই ব্যাংকের সকল কর্মীর জন্য আমাদের এই উদ্যোগ। বাবার ভালোবাসা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও শক্তি। আমার বিশ্বাস ব্যাংকের উদ্যোগে আমাদের এই আয়োজন কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করবে। একটি বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে আমরা বাংলাদেশের মূল্যবোধকে ধারণ ও লালন করি।”
|
|
|
 |
৮ জুন, ২০১১ চট্টগ্রামে ব্র্যাক ব্যাংক-এর এসএমই গ্রাহকদের জন্য ‘আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক কর্মশালা |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং সাউথ এশিয়া এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটি (এসইডিএফ --আইএফসি’র ব্যবস্থাপনায় এবং ডিএফআইডি ও এনওআরএডি-এর সহযোগিতায় পরিচালিত) যৌথভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের গ্রাহকদের জন্য চট্টগ্রামে ‘আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক কর্মশালার আয়োজন করে।
চট্টগ্রামের পেনিনসোলা হোটেলে ২১ মে, ২০১১ দু’দিনব্যাপী এ কর্মশালা শুরু হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম ও হেড অফ স্মল বিজনেস জনাব সৈয়দ আব্দুল মোমেন, এসইডিএফ-এর ফাইন্যান্সিয়াল কনসালটেন্ট জনাব নাসের হাসান খান ও কনসালটেন্ট জনাব অয়ন রহমান ২২ মে সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান উল্লেখযোগ্য। তাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক ও এসইডিএফ যৌথভাবে এসএমই গ্রাহকদের জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করে। এর আগে বগুড়া ও ঢাকায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায় উদ্যোগ, উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন বিশেষজ্ঞগণ। অর্থায়নের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসা আরও গতিশীল করার কৌশল ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
|
|
|
 |
৬ জুন, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন এটিএম ও পিওএস প্লাটফর্ম -- অমনিবাস -- এ যোগ দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন এটিএম ও পিওএস প্লাটফর্ম -- অমনিবাস -- এ যোগ দিয়েছে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশ লিমিটেড। এখন থেকে এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকরা অমনিবাস প্লাটফর্মের আওতাধীন ৮০০-এর অধিক এটিএম ব্যবহার করতে পারবেন।
অমনিবাস হলো সদস্য ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সম্মিলিত এটিএম ও পিওএস নেটওয়ার্ক যার আওতায় আছে ৮০০ এর অধিক এটিএম।
গত ৫ জুন, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাজী মসিহুর রহমান এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান, এক্সিম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিঞা ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ এবং দুই ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “এটিএম ও পিওএস নেটওয়ার্কের সাহায্যে গ্রাহকদের সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য আমরা অমনিবাস প্লাটফর্মের উদ্যোগ নেই। আমরা খুবই আনন্দিত যে, নতুন নতুন ব্যাংক এই নেটওয়ার্কে যোগ দিচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকরা স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে দিবারাতে সারাক্ষণ ব্যাংকিং সেবা পাবেন।”
এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাজী মসিহুর রহমান বলেন, “ বৃহৎ এটিএম ও পিওএস নেটওয়ার্কের সাহায্যে গ্রাহকদের সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য আমরা অমনিবাস এর সাথে যুক্ত হয়েছি। এ ফলে গ্রাহকরা সহজে ব্যাংকিং সুবিধা পাবেন।”
এক্সিম ব্যাংকের যোগদানের পর অমনিবাস-এর সদস্য সংখ্যা ৩৬ টি ব্যাংকে দাঁড়ালো। এগুলো হলো: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, কিউক্যাশ -- ২০ টি ব্যাংক এর সদস্য, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, ক্যাশ লিংক বিডি লিমিটেড - পাঁচটি ব্যাংক এর সদস্য, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ব্যাংক আলফালাহ্ লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, সাউথওয়েস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড।
|
|
|
 |
১ জুন, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় মেঘনা সিডস ক্রাসিং মিলের জন্য ১,১২০.৬০ মিলিয়ন টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ |
|
|
মেঘনা সিডস ক্রাসিং মিলের জন্য ১,১২০.৬০ মিলিয়ন টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণের ব্যবস্থা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
এই ঋণ দিয়ে মেঘনা গ্রুপ নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে অবসি'ত শিল্প পার্কে একটি সিড ক্রাসিং ফ্যাক্টরি নির্মাণ করবে যেখানে অপরিশোধিত ভোজ্য তেল ও অয়েল কেক তৈরি হবে।
ব্র্যাক ব্যাংক ছাড়াও এই সিন্ডিকেট ঋণের অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, পুবালী ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানী লিমিটেড।
গত ২৯ মে, ২০১১ ঢাকার একটি হোটেলে ঋণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোস্তফা কামাল, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, পুবালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব হেলাল আহমেদ চৌধুরী, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ আব্দুল হামিদ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আব্দুর রহমান সরকার, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ ইমতিয়াজ হাসিব, ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানী লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম এ আজিম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব মাহমুদুন নবী চৌধুরী, করপোরেট ইন্সটিটিউশনস ও স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স এর প্রধান জনাব সৈয়দ গোলাম মারুফ, মেঘনা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব জসিমউদ্দীন ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
৩০ মে, ২০১১ ‘প্রবাসী কার্ড’ নিয়ে এলো ব্র্যাক ব্যাংক বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থ গ্রাহকরা এটিএম থেকে তুলতে পারবেন |
|
|
বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থ দ্রুত প্রাপকের হাতে পৌঁছানোর জন্য ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে এলো ‘প্রবাসী কার্ড’। এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক সরাসরি এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
এই প্রি-পেইড কার্ডের সাহায্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫০টি এটিএম ছাড়াও দেশব্যাপী সকল ভিসা লোগো যুক্ত এটিএম বুথ থেকে গ্রাহক টাকা তুলতে পারবেন। তাদেরকে ব্রাঞ্চে আসতে হবে না। এই কার্ড দিয়ে ১০,০০০ এর অধিক দোকানে চঙঝ মেশিনে কেনাকাটা করতে পারবেন। গ্রাহকদের জন্য নতুন উদ্বাবনী সেবা চালু করার ক্ষেত্রে প্রবাসী কার্ড একটি নতুন সংযোজন।
প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ অতি দ্রুত, নিরাপদে ও সহজে দেশে প্রিয়জনের নিকট পাঠাতে পারবেন। যেকোন ব্যক্তি যার নামে বিদেশ থেকে টাকা আসে তিনি এই কার্ডের গ্রাহক হতে পারবেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ৩০ মে, ২০১১ ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসী কার্ড উদ্বোধন করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাস্টোডিয়াল সার্ভিসেস ও প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাজা শাহরিয়ার, হেড অফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব জীশান কিংশুক হক এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় গ্রাহকদের সুবিধার জন্য নতুন নতুন সেবা নিয়ে আসে। প্রবাসী কার্ডের সাহায্যে বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থ গ্রাহক নিজের প্রয়োজনমত পরিমাণে এটিএম থেকে যেকোন সময় তুলতে পারবেন। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক দ্রুততম সময়ে, নিরাপদে ও অতি সহজে বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থ হাতে পাবেন। আগামীতে প্রবাসী বাংলাদেশী ও রেমিটেন্স গ্রাহকদের জন্য আরও নতুন নতুন সেবা নিয়ে আসবে ব্র্যাক ব্যাংক।”
|
|
|
 |
২৪ মে, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫০তম এটিএম উদ্বোধন |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালক তামারা হাসান আবেদ ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান গত ২৪ মে, ২০১১ তেজগাঁও-এর আড়ং সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫০তম এটিএম উদ্বোধন করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, কোম্পানী সেক্রেটারী এন্ড হেড অফ লিগাল, রেগুলেটরী এন্ড ইন্টারনাল কন্ট্রোল জনাব রেইস উদ্দীন আহ্মাদ, মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান তাহ্নিয়াত আহমেদ করিম, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান, ট্রেজারী এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন বিভাগের প্রধান জনাব মোহাম্মদ রহমত পাশা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৬ মে, ২০১১ ইউনিয়ন পর্যায়ে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ লিমিটেড, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক |
|
|
বিকাশ লিমিটেড, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর মধ্যে ২৬ মে, ২০১১ তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফিন্যান্সিয়াল সেবা পাবেন।
এলজিডি এবং ‘এটুআই’ ৪৫০১টি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র পরিচালনা করে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা পাবেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, বিকাশ, এই প্রকল্পের পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটর হিসেবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তির ফলে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনসাধারণ মোবাইল ফোনের সাহায্যে ব্যাংকিং সুবিধা পাবে।
বিকাশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কামাল কাদীর, এলজিডি এর যুগ্ম সচিব জনাব অশোক মধাব রায় এবং একসেস টু ইনফরমেশন এর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ জনাব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এই সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপসি'ত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সরকারের সাথে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর সুদূরপ্রসারী গ্রাহক সেবার পথে একটি মাইলফল। এর ফলে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষ ব্যাংকিং সুবিধা পাবে।”
এ চুক্তির ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষ ব্যাংকে না গিয়েই তাদের নিজ এলাকায় ব্যাংকিং সুবিধা পাবে।
মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদেও আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকার সেবামূলক কর্মকান্ড পালন করে থাকে। ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারকারীরা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলতে পারবে এবং কার্যত: মোবাইলের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে।
বিকাশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কামাল কাদীর বলেন, “ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনসাধারণকে সুবিধাজনকভাবে ও সাশ্রয়ের সাথে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের সুবিধা দিয়ে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির জন্য বিকাশ প্রতিষ্ঠিত হয়।”
|
|
|
 |
২৩ মে, ২০১১ সিঙ্গাপুরের পার্কওয়ে হেলথ-এ বিশেষ সুবিধা পাবেন ব্র্যাক ব্যাংকের প্রিমিয়াম গ্রাহক ও কর্মকর্তারা |
|
|
ব্যাংকের প্রিমিয়াম গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি পার্কওয়ে হেলথ সিঙ্গাপুর-এর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের প্রিমিয়াম ব্যাংকিং-এর গ্রাহক, প্লাটিনাম কার্ড গ্রাহক এবং ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ পার্কওয়ে হেলথ গ্রুপের হাসপাতালগুলোতে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা ও বিশেষ ছাড় সুবিধা পাবেন। পার্কওয়ে হেলথ গ্রুপের অধীন হাসপাতালগুলো হলো: মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতাল, গেস্ননিএগেস্নস হাসপাতাল ও পার্কওয়ে ইস্ট হাসপাতাল, সিঙ্গাপুর।
ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং-এর প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান ও মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান তাহ্নিয়াত আহমেদ করিম এবং পার্কওয়ে হেলথ-এর পরিচালক জনাব জাহিদ হাসান খান ও সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার মি. স্টিভেন মক ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থি'ত ছিলেন।
এ চুক্তির ফলে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে দেশেই চিকিৎসা বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য ও পরামর্শ পাওয়া যাবে। প্রিমিয়াম ব্যাংকিং গ্রাহক ও প্লাটিনাম কার্ড গ্রাহক-এর পাশাপাশি ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ পার্কওয়ে হেলথ গ্রুপের হাসপাতালগুলোতে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা ও বিশেষ ছাড় সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
২৩ মে, ২০১১ ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের গ্রাহকদের ক্রেডিট রেটিং সার্ভিস প্রদানের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট রেটিং এজেন্সি বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের গ্রাহকদের ক্রেডিট রেটিং সার্ভিস প্রদানের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট রেটিং এজেন্সি বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট রেটিং এজেন্সি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তারিক আফজাল ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
১৮ মে, ২০১১ ইব্রাহিমপুরে ব্র্যাক ব্যাংকের দিবারাত্রি ২৪ ঘন্টার গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ‘আপন সময়’ চালু |
|
|
গ্রাহকদের সুবিধার্থে সপ্তাহের ৭ দিনই ২৪ ঘন্টা গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক আরও একটি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ‘আপন সময়’ চালু করেছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ঢাকার ইব্রাহিমপুরে ১৫ মে, ২০১১ ব্যাংকের ১০ম এই সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
এ সময় ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
‘আপন সময়’ হচ্ছে সপ্তাহের ৭ দিন দিবা রাত্রি ২৪ ঘন্টার নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা কেন্দ্র যেখানে গ্রাহকবৃন্দ তাদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং লেনদেন তথা টাকা জমা ও উত্তোলন, একাউন্ট ও ঋণের আবেদনপত্র, চেকবই-এর আবেদনপত্রসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আপন সময় এর মতো নতুন ও মৌলিক উদ্ভাবনী সেবা শুরুর মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা এখন আর সময় ও স্থানের উপর নির্ভরশীল থাকবে না। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা যে কোন দিন যে কোন সময়ে ব্যাকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এটি গ্রাহকদের সময় বাঁচাবে। আমরা এই সেবা আরও সম্প্রসারণ করবো।’’
|
|
|
 |
১৪ মে, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক-এর এসএমই গ্রাহকদের জন্য ‘আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক কর্মশালা |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং সাউথ এশিয়া এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটি (এসইডিএফ --আইএফসি’র ব্যবস্থাপনায় এবং ডিএফআইডি ও এনওআরএডি-এর সহযোগিতায় পরিচালিত) যৌথভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের গ্রাহকদের জন্য ‘আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক কর্মশালার আয়োজন করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান গত ১৪ মে, ২০১১ তারিখে ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে দু’দিনব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ১০০ জন গ্রাহক এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান উল্লেখযোগ্য। তাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক ও এসইডিএফ যৌথভাবে এসএমই গ্রাহকদের জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায় উদ্যোগ, উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন বিশেষজ্ঞগণ। অর্থায়নের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসা আরও গতিশীল করার কৌশল ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, এসইডিএফ ও ব্র্যাক ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
১২ মে, ২০১১ এসএমই গ্রাহকদের অগ্নীবীমা সুবিধা প্রদান করার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ইউনাউটেড ইন্সুরেন্সের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। |
|
|
এসএমই গ্রাহকদের অগ্নীবীমা সুবিধা প্রদান করার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ইউনাউটেড ইন্সুরেন্সের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ইউনাইটেড ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শাহরিয়ার আহসান ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
|
|
|
 |
১২ মে, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক-এর এসএমই গ্রাহকদের জন্য ‘আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক কর্মশালা |
|
|
ক্যাশ ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদানের জন্য এসিআই গোডরেজ এগ্রোভেট প্রাইভেট লিমিটেডের সাথে সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ চুক্তির ফলে ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪৯টি অন-লাইন শাখার মাধ্যমে গোডরেজ এগ্রোভেট উন্নত ও দ্রুত ক্যাশ ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাস্টোডিয়াল সার্ভিসেস ও প্রবাসী ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব খাঁজা শাহরিয়ার এবং এসিআই এগ্রোভেট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব পুনেত পোখরিয়াল চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
|
|
|
 |
৮ মে, ২০১১ মা দিবস উদযাপন করলো ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা |
|
|
মায়ের প্রতি অকৃত্বিম ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে মা দিবস উদযাপন করলো ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা।
৮ মে মা দিবসে ব্র্যাক ব্যাংকের সকল ব্রাঞ্চ, এসএমই ইউনিট অফিসসহ সকল বিভাগের কর্মীরা মা'কে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতিকথা, কবিতা, ছড়া, ছবি নিয়ে দেয়াল পত্রিকা তৈরি করে। মা দিবসে এই দেয়াল পত্রিকা অফিসে টানিয়ে রাখা হয়। এগুলোর মধ্য থেকে তিনটি সেরা দেয়াল পত্রিকা নির্বাচন করা হবে এবং ব্যাংকের পরবর্তী টাউন হল মিটিংয়ে দেয়া হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
এ উপলক্ষ্যে সকল কর্মীর জন্য ব্র্যাক ব্যাংক প্রকাশ করে বিশেষ ফটো ফ্রেম। এই ফটো ফ্রেমে সকল কর্মী নিজ মায়ের ছবি সাজিয়ে মায়ের প্রতি অকৃত্বিম ও শর্তহীন ভালোবাসা প্রকাশ করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান তাহ্নিয়াত আহমেদ করিম বলেন, “মায়ের প্রতি আমাদের সকলের ভালোবাসা চিরন্তন ও অকৃত্বিম। মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও আবেগের বহি:প্রকাশের জন্যই ব্যাংকের সকল কর্মীর জন্য আমাদের এই উদ্যোগ। মায়ের ভালোবাসাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও শক্তি। একটি বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে আমরা বাংলাদেশের মূল্যবোধকে ধারণ ও লালন করি।”
|
|
|
 |
২ মে, ২০১১ যুক্তরাজ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউস ব্র্যাক সাজন-এর যাত্রা শুরু |
|
|
যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে ব্র্যাক ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউস - ব্র্যাক সাজন যাত্রা শুরু করেছে।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখন অন-লাইনের মাধ্যমে দ্রুত ও নিরাপদে বাংলাদেশে তাদের প্রিয়জনের নিকট টাকা পাঠাতে পারবেন।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী গত ২৯ এপ্রিল, ২০১১ বার্মিংহামে ব্র্যাক সাজন এক্সচেঞ্জ হাউস-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, কোম্পানি সেক্রেটারী এন্ড হেড অফ লিগাল রেগুলেটরি এন্ড ইন্টারনাল কন্ট্রোল জনাব রেইস উদ্দীন আহ্মাদ, হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট এবং কাস্টডিয়াল সার্ভিসেস ও প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাঁজা শাহরিয়ার এবং ব্র্যাক সাজন-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
সাজন ওয়াল্ডওয়াইড মানি ট্রান্সফার লিমিটেডের ৭৫ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক ব্র্যাক সাজন এক্সচেঞ্জ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী বলেন, “এই অধিগ্রহণের ফলে যুক্তরাজ্যের রেমিটেন্স বাজারে আমাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখন আমাদের উন্নত সেবার মাধ্যমে দ্রুত দেশে তাদের প্রিয়জনের নিকট টাকা পাঠাতে পারবেন। বাংলাদেশের ৩,০০০ এর অধিক রেমিটেন্স ডেলিভারি পয়েন্ট থেকে টাকা তোলা যাবে। রেমিটেন্স সেবার পাশাপাশি প্রবাসীরা দেশে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুবিধাও এখানে পাবেন।’’
|
|
|
 |
২ মে, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোশেন (আইএফসি) যৌথভাবে গত ২৩-২৪ এপ্রিল, ২০১১ বগুড়াতে ‘ইমপোর্ট ফাইন্যান্স’ বিষয়ে এক কর্মশালার আয়োজন করে। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোশেন (আইএফসি) যৌথভাবে গত ২৩-২৪ এপ্রিল, ২০১১ বগুড়াতে ‘ইমপোর্ট ফাইন্যান্স’ বিষয়ে এক কর্মশালার আয়োজন করে। এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা এ কর্মশালায় অংশ নেন। ছবিতে ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং ব্র্যাক ব্যাংক ও আইএফসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে অংশগ্রহণকারীদের দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
২৬ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক এখন বনশ্রী ও রোকেয়া সরণীতে |
|
|
দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এবার এলো ঢাকার বনশ্রী ও রোকেয়া সরণীতে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ২৬ এপ্রিল, ২০১১ বনশ্রী শাখা ও রোকেয়া সরণী শাখা উদ্বোধন করেন।
এই দু‘টি নতুন শাখার উদ্বোধনের ফলে এসএমই/কৃষি শাখা ও এসএমই সার্ভিস সেন্টার-সহ ব্র্যাক ব্যাংকের মোট শাখার সংখ্যা হলো ১৪৯। এই উদ্বোধনের ফলে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহৎ অন-লাইন ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে পরিণত হলো।
এ উপলক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সর্বোকৃষ্ট ব্যাংকিং সেবা জনসাধারণের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য দেশব্যাপী শাখা সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। দেশের অর্থনীতিতে সর্বসত্মরের জনসাধারণের অন্তর্ভুক্তির জন্য আমরা অতি শীঘ্রই নতুন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করতে যাচ্ছি। আমাদের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বছরে আমরা গ্রাহকদের জন্য আরও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবা নিয়ে আসবো।”
বনশ্রী শাখাটি প্লট# ১২, বস্নক# সি, মেইন রোড, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা এবং রোকেয়া সরণী শাখাটি হোল্ডিং নং# ১২৯, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর, ঢাকায় অবস্থিত। উদ্বোধনের দিনে পুরো এলাকা দু’টিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীবৃন্দ ও ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৬ এপ্রিল, ২০১১ প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক ও খামারীদের জন্য সহজ ঋণ সুবিধা নিয়ে এল ব্র্যাক ব্যাংক ও জাগরণী চক্র |
|
|
দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক এবং দুগ্ধ, পোল্ট্রি, মৎস্য ও পশু খামারীরা এখন সহজেই ঋণ সুবিধা পাবেন।
তার পাশাপাশি শস্য উৎপাদন, বায়োগ্যাস, ফলের বাগান, পানের বরজ ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্যের উদ্যোক্তারাও ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ঋণ সুবিধা পাবেন।
কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানের জন্য দেশের সর্ববৃহৎ এসএমই ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক এবং বেসরকারী ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
এই চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংক জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনকে ১০ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করবে যা কৃষক ও কৃষিখাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
২১ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জনাব আজাদুল কবির আরজু। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই কৃষি বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ঋণ প্রদান করে আসছে। এই খাতই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। আমাদের এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তারা সহজেই ঋণ সুবিধা পাবে।”
|
|
|
 |
২৪ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং ব্র্যাক-এর চেয়ারপাসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২৪ এপ্রিল, ২০১১ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সৌজন্য পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি তেজগাঁও-এ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বর্ধিত ভবন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বছরে তিনি এ পরিদর্শনে এলেন। তৃণমূল পর্যায়ের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
তিন তলা ছোট্ট একটি ভবনে যাত্রা শুরু করা ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের আয়তন এখন এই নতুন ভবন-সহ ১৭০,০০০ বর্গফুট। প্রায় ২,০০০ কর্মীবাহিনী প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। এই উদ্যমী কর্মীবাহিনী এই কনিষ্ঠতম ব্যাংককে দেশের অন্যতম ব্যাংকে পরিণত করেছে।
ব্যাংকের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে স্যার ফজলে হাসান আবেদ বলেন, দেশের প্রথম এসএমই ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে আজ পরিপূর্ণ ব্যাংকিং সেবা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। এখন ব্র্যাক ব্যাংকের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ। “দেশের অর্থনীতিতে সর্বস্তরের জনসাধারণের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম। আপনারা শীঘ্রই ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস দেখতে পারবেন। এতে গ্রাহকরা মোবাইলের মাধ্যমে তাদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবেন। এর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণ ব্যাংকিং সেবার সুবিধা পাবেন। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমাদের গ্রাহক সংখ্যা পঞ্চাশ লাখে পৌঁছবে।”
স্যার আবেদ বলেন, “গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ব্যাংকিং অন ভ্যালুজ এর সদস্য হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক ‘ট্রিপল বটম লাইন’ এজেন্ডা -- পিপল, প্লানেট ও প্রফিট নিয়ে কাজ করে। আমরা জনসাধারণ ও ধরিত্রীর কল্যাণে কাজ করি এবং পরিমিত মুনাফা অর্জন করি। আমি আমাদের উদ্যমী কর্মীবাহিনীকে নিয়ে গর্ব করি। তারা ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে অন্যন্য অবদান রেখে চলেছেন।” তিনি বলেন, অতি শীঘ্রই ব্র্যাক ব্যাংকের নিজস্ব ভবন তৈরি হবে।
ব্র্যাক ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
১৯ এপ্রিল, ২০১১ বৈশাখী মেলা, দেশীয় সঙ্গীতসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪১৮ বরণ করে নিল ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা। |
|
|
বৈশাখী মেলা, দেশীয় সঙ্গীতসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪১৮ বরণ করে নিল ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ১৩ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই বিশেষ আয়োজনে সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ-সহ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ। ব্যাংকের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
|
|
|
 |
১১ এপ্রিল, ২০১১ রূপনগরে ব্র্যাক ব্যাংকের দিবারাত্রি ২৪ ঘন্টার গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ‘আপন সময়’ চালু |
|
|
গ্রাহকদের সুবিধার্থে সপ্তাহের ৭ দিনই ২৪ ঘন্টা গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক আরও একটি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ‘আপন সময়’ চালু করেছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ঢাকার রূপনগরে ১১ এপ্রিল, ২০১১ ব্যাংকের সপ্তম এই সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
এ সময় ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তাহ্নিয়াত আহমেদ করিম, স্পেশাল এসেটস ম্যানেজমেন্ট -- এসএমই ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব এম. সারোয়ার আহমেদ ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘আপন সময়’ হচ্ছে সপ্তাহের ৭ দিন দিবা রাত্রি ২৪ ঘন্টার নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা কেন্দ্র যেখানে গ্রাহকবৃন্দ তাদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং লেনদেন তথা টাকা জমা ও উত্তোলন, একাউন্ট ও ঋণের আবেদনপত্র, চেকবই-এর আবেদনপত্রসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আপন সময় এর মতো নতুন ও মৌলিক উদ্ভাবনী সেবা শুরুর মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা এখন আর সময় ও স্থানের উপর নির্ভরশীল থাকবে না। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা যে কোন দিন যে কোন সময়ে ব্যাকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এটি গ্রাহকদের সময় বাঁচাবে। আমরা এই সেবা আরও সম্প্রসারণ করবো।’’
|
|
|
 |
৭ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক-এর জোনাল ম্যানেজারদের জন্য “থ্রাস্ট ফর এক্সিলেন্স”শীর্ষক প্রশিক্ষণ |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি এসএমই বিভাগের জোনাল ম্যানেজারদের জন্য “থ্রাস্ট ফর এক্সিলেন্স”শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। গাজিপুরের রাজেন্দ্রপুরে বিসিডিএম-এ আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ছবিতে ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে অংশগ্রহণকারীদের দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
৭ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক ও ট্রান্স-ফাস্ট রেমিটেন্স এলএলসি, ইউএসএ এর চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি ট্রান্স-ফাস্ট রেমিটেন্স এলএলসি, ইউএসএ এর সাথে বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ছবিতে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ট্রান্স-ফাস্ট রেমিটেন্স এলএলসি, ইউএসএ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সামিস কুমারকে করমর্দন করতে দেখা যাচ্ছে। ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, প্রবাসী ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব খাঁজা শাহরিয়ার এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
৭ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক ও কর্ণফুলী গ্রুপের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক এবং কর্ণফুলী গ্রুপ সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির ফলে ব্র্যাক ব্যাংকের হোম লোন ‘আপন ঘর’ এর আওতায় গ্রাহকরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব ফিরোজ আহমেদ খান এবং কর্ণফুলী গ্রুপের পরিচালক জনাব নুরুল মোস্তফা নিজ নিজ কোম্পানীর পক্ষ্যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
|
|
|
 |
৩ এপ্রিল, ২০১১ বগুড়ায় কৃষিভিত্তিক হালকা প্রকৌশল মেলায় ৩ জন উদ্যোক্তাকে ব্র্যাক ব্যাংকের তাৎক্ষণিক ঋণ প্রদান |
|
|
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বগুড়াতে প্রথমবারের মত আয়োজিত কৃষিভিত্তিক হালকা প্রকৌশল যন্ত্রপাতি প্রদর্শনীতে তিনজন স্থানীয় উদ্যোক্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান গত ১ এপ্রিল, ২০১১ বগুড়ার সেন্ট্রাল হাইস্কুল মাঠে দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন এবং এই ঋণ অনুমোদনপত্র হস্তান্তর করেন।
এই তিনটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান হলো -- হারুণ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, বশাক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এবং রিমঝিম ফ্যাশন।
এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ বিভিন্ন ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস'াপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক হালকা প্রকৌশল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় একটি খাত। এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উদ্যোক্তাদের সাথে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই ধরনের মেলা উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে, ঋণ সুবিধা সম্পর্কে সচেতন করবে এবং পণ্যের বাজার সৃষ্টিতে সাহায্য করবে। নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে ভোক্তা অর্থাৎ কৃষকদের সচেতন করবে।’’ তিনি এই মেলা আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে ধন্যবাদ জানান।
দেশের কনিষ্ঠতম ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এ বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আসছে। এ বছর ব্র্যাক ব্যাংক ১০ বছর পূর্ণ করবে। এই অল্প সময়েই ব্র্যাক ব্যাংক প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার উদ্যোক্তাকে ১৪,৫০০ কোটি টাকা এসএমই ঋণ বিতরণ করেছে। এসএমই খাতকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার জন্য দেশব্যাপী ১৪৭টি শাখা, ৪২১টি এসএমই ইউনিট ও ৮,০০০ কর্মীবাহিনী নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক আজ দেশের সবচেয়ে বড় এসএমই ব্যাংক।
|
|
|
 |
৪ এপ্রিল, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় তরুণ শিল্পী হৃদয় খান-এর নতুন অ্যালবাম ‘ছোঁয়া’ |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় ও অগ্নিবীণা’র ব্যানারে প্রকাশিত হল এ প্রজন্মের তরুণ প্রতিভাবান শিল্পী হৃদয় খান-এর নতুন অ্যালবাম ‘ছোঁয়া’।
এ উপলক্ষে ৪ এপ্রিল, ২০১১ ঢাকার একটি রেস্তোঁরায় আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব জীশান কিংশুক হক।
এ অনুষ্ঠানে আরও উপসি'ত ছিলেন দেশের সঙ্গীত ও সংস্কৃতি জগতের তারকারা, ব্র্যাক ব্যাংক এবং অগ্নিবীণা’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এ উপলড়্গে এ বার্তায় ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “দেশীয় শিল্প-সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতা থাকে সবসময়। তারই ধারাবাহিকতায় তরুণ শিল্পী হৃদয় খানের পাশে ব্র্যাক ব্যাংক। দেশের তরুণ সঙ্গীত প্রতিভাদের স্বপ্ন আর সম্ভাবনায় আমাদের আস্থা অবিচল।’’
শিল্পী হৃদয় খান বলেন, “আমার প্রথম একক অ্যালবাম ‘বলো না’ ব্যাপক শ্রোতা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় আজ প্রকাশিত হলো আমার দ্বিতীয় অ্যালবাম। আপনাদের সহযোগিতায় বাংলা গানের নতুন ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবো।”
মানসম্মত দেশীয় সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ বছর ফাহমিদা নবীর কন্ঠে সেলিম আল দীনের সঙ্গীতগুচ্ছ ‘আকাশ ও সমুদ্র অপার’ ও কৃষ্ণকলির ‘আলোর পিঠে আঁধার’ অ্যালবামের পৃষ্ঠপোষকতা করে ব্র্যাক ব্যাংক। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক এ বছর প্রকাশ করে স্বদেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কবিতার সিডি ‘তোমার পতাকা যারে দাও’।
|
|
|
 |
মার্চ ২৬, ২০১১ স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীদের ঐক্যের গান |
|
|
স্বাধীনতা দিবসে ব্র্যাক ব্যাংকের সকল কর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে একত্রিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত এবং দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ঐক্য ও সৌহার্দ্য প্রকাশ করে।
বাংলাদেশের ৪০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এবং ব্র্যাক ব্যাংকের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২৬ মার্চ, ২০১১ দেশব্যাপী সকল আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ একই সময়ে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ঠিক সকাল নয়টায় প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ঢাকায় এবং ১৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নিজ নিজ শহরে একত্রিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে গেয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। এরপর তারা সম্মিলিতভাবে গেয়ে ওঠে ‘ধন ধান্যে পূষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা ... ... ...”
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, যশোর, সিলেট, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, কক্সবাজার ও খুলনাতে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এ উপলক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবসস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে আমরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছি। একটি সুন্দর ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্যে আমরা যে যার অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবো।”
|
|
|
 |
মার্চ ২৪, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক তার সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১০ সালের জন্য ২০ শতাংশ (২০%) ষ্টক ডিভিডেন্ড (বোনাস শেয়ার্স) এবং ১০ শতাংশ (১০%) ক্যাশ ডিভিডেন্ডের ঘোষণা দিয়েছে।
২৪ মার্চ, ২০১১, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকায় বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার (বিসিসি), বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯-এ অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এই ডিভিডেন্ডসমূহের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী। অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ জনাব কাজী মো: শরিফুল আলা, মিস্ নিহাদ কবির, জনাব শিব নারায়ন কৈরী, ড: হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং কোম্পানী সেক্রেটারী জনাব রেইস উদ্দীন আহ্মাদ।
বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জানান, ২০১০ সালে ব্যাংক পরিচালন মুনাফা হিসাবে ৪,৯৬৯ মিলিয়ন টাকা এবং কর পরবর্তী মুনাফা হিসাবে ১,৬৬৪ টাকা অর্জন করেছে, বৃদ্ধির হার পর্যায়ক্রমে ৩৪ শতাংশ (৩৪%) এবং ২৮ শতাংশ (২৮%) যা ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি মাইলফলক।
বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান, কোম্পানীর প্রতি ধারাবাহিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য শেয়ারহোল্ডার, ষ্টেকহোল্ডার এবং ব্যবস্থাপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণও এই বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
মার্চ ২২, ২০১১ বীর প্রতীক তারামন বিবি’র পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নির্ভীকভাবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। আজ যে স্বাধীন দেশে আমরা বাস করছি সেই দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাহসিকতার জন্য তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বীর প্রতীক উপাধিপ্রাপ্ত দুইজন মহিলার মধ্যে তিনি একজন।
এই বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীন দেশেই এখন শুধুমাত্র দারিদ্রের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছেন।
ঢাকা থেকে ৩৫০ কি.মি. দূরে দেশের উত্তরাঞ্চলে এক নিভৃত পল্লীতে তিনি অসহায় জীবনযাপন করছেন। তিনি গুরুতর অসুস'। তাঁর চিকিৎসার জন্য ও জীবনধারনের জন্য সহায়তা প্রয়োজন।
পত্রিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি, বীর প্রতীক-এর অসুস'তার খবর পেয়ে তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই সাহসী মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার জন্য আজীবন প্রতি মাসে দশ হাজার টাকা প্রদান করবে ব্র্যাক ব্যাংক।
সম্প্রতি কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার কাচারীপাড়া গ্রামে তারামন বিবি’র বাড়ীতে গিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তারা এই সহায়তার প্রথম মাসের অর্থ হসত্মানত্মর করেন। এ সময় রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুল কাদির এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার জনাব মো: আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের তাঁর বাড়ীতে দেখে তারামন বিবি অবাক হয়ে যায়। এই দু:সময়ে তাঁর পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অশ্রুসজল তারামন বিবি ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বলেন, “এত দূরে আমার বাড়ীতে এসে আমাকে সহায়তা করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। ব্র্যাক ব্যাংক সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল একটি বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য অন্তত: এতটুকু করতেই পারি। ব্যাংকের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বছরে আমরা এ ধরনের আরও মানবীয় ও মহৎ কাজ করতে থাকবো।”
|
|
|
 |
মার্চ ২০, ২০১১ প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও লেখক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল ব্র্যাক ব্যাংকের লাইব্রেরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। |
|
|
প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও লেখক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল ব্র্যাক ব্যাংকের লাইব্রেরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই লাইব্রেরী তৈরির জন্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা বই প্রদান করেন।
|
|
|
 |
১৪ মার্চ, ২০১১ ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স ইন রিটেইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাওয়ার্ডস এশিয়ান ব্যাংকার-এর নিকট থেকে বাংলাদেশের সেরা রিটেইল ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেল ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
১০ম ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স ইন রিটেইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাওয়ার্ডস প্রোগ্রামে বাংলাদেশের সেরা রিটেইল ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেল ব্র্যাক ব্যাংক।
এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রিটেইল ব্যাংকিং অনুষ্ঠান, এক্সিলেন্স ইন রিটেইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কনভেনসন-এর অংশ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স ইন রিটেইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ২০১১ অ্যাওয়ার্ডস প্রদান করা হয়।
গত ১১ মার্চ, ২০১১ কুয়ালালামপুরের সাংরি লা হোটেলে এ অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্র্যাঞ্চ ব্যাংকিং-এর প্রধান জনাব আব্দুর রহমান। এশিয়ার একমাত্র ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশের সেরা রিটেইল ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এশিয়া প্যাসিফিক, মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং আফ্রিকার ২৯ দেশের ১৫০ জন উর্ধ্বতন ব্যাংক কর্মকর্তাবৃন্দ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের উন্নত প্রোডাক্ট ও সেবা প্রদানকারী ব্যাংকদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এশিয়ান ব্যাংকার-এর তত্ত্বাবধায়নে এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তা, পরামর্শক ও শিক্ষাবিদদের নজরদারিতে পরিচালিত এই পুরস্কার রিটেইল খাতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিবেচনা করা হয়।
এ পুরস্কার বিজয় সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বৈচিত্র্যময় রিটেইল প্রোডাক্ট, অন-লাইন শপিং সুবিধা ও উন্নত গ্রাহকসেবা রিটেইল ব্যাংকিং-এ প্রতিযোগীদের চেয়ে আমাদের এগিয়ে রেখেছে। এসএমই ব্যাংকিং-এ শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি আমরা অন্যান্য খাতে উৎকর্ষতা বজায় রাখতে চাই। এই ধরনের মর্যাদাপূর্ণ আনত্মর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদেরকে এ লক্ষ্য অর্জনে এবং আরও ভাল সেবা প্রদানে অনুপ্রণিত করবে।”
পরিপূর্ণ রিটেইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা ছিল ২০১০ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অন্যতম কৌশল। ভৌত ও ইলেকট্রনিক ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক নির্মাণ এবং নতুন পণ্য ও সেবা চালু করার মাধ্যমে ব্যাংক এটি অর্জন করে। সর্ববৃহৎ টার্মিনাল, ব্র্যাঞ্চ, এটিএম এবং পয়েন্ট অব সার্ভিস আউটলেট এর মাধ্যমকে ব্যাংকটি দ্রুত গ্রাহকদের আস্থার ব্যাংক-এ পরিণত হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে ১০ লাখ গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করে ব্র্যাক ব্যাংক।
এশিয়ান ব্যাংকার রিসার্চ এর প্রধান মি. ক্রিস ক্যাফার ব্র্যাক ব্যাংক সম্পর্কে বলেন, “রিটেইল আমানত, আয় ও মুনাফার ক্ষেত্রে ব্র্যাক ব্যাংক ভাল প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রেমিটেন্স বাজারের ৪০% দখল করে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ভিসার সাথে ই-কমার্স ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম চালু করে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের অন-লাইন শপিং সুবিধা প্রদান করেছে। এই সুবিধাজনক অন-লাইন প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে গ্রাহকরা দিনরাত ২৪ ঘন্টা ঘরে বসে প্রয়োজনীয় শপিং করতে পারবেন।”
|
|
|
 |
‘বাংলা পড়ি, বাংলা লিখি -- শুদ্ধ ভাষা বলতে শিখি’ প্রতিযোগিতা। |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য আয়োজন করা হয় ‘বাংলা পড়ি, বাংলা লিখি -- শুদ্ধ ভাষা বলতে শিখি’ প্রতিযোগিতা। ছবিতে অংশগ্রহণকারী ছেলেমেয়েদের সাথে চিত্রশিল্পী হাশেম খান, সঙ্গীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দদের দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
১৩ মার্চ, ২০১১ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে এসিড আহত নারীদের কর্মসংস্থান হল ব্র্যাক ব্যাংকে |
|
|
তাদের জীবনের সব আশা হয়ত ম্লান হয়ে গিয়েছিল। এসিড আক্রমণের পর তারা স্বাভাবিক জীবনে কতটুকু ফিরে আসবে তা ভাবতে পারেনি। কিন' লালমনিরহাটের তহুরা খাতুন এবং বরিশালের মনিকা হালদার আজ নতুন জীবনের সন্ধান পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে এই নারীদেরকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।
১০ মার্চ, ২০১১ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই এসিড আহতদের মাঝে ব্র্যাক ব্যাংকের নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন অভিনেত্রী ও নাট্যব্যক্তিত্ব সারা যাকের এবং প্রথম আলোর উপ-সম্পাদক কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ।
নিজের অনুভূতি জানতে চাইলে বরিশালের মনিকা হালদার আবেগআপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ.এস.সি. পরীক্ষার পর তিনি এসিড হামলার শিকার হন। তখন জীবনটা ছিল অহনীয়। তারপরেও অনেক কষ্টে লেখাপড়া চালিয়ে যান। তিনি বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংকে কাজের সুযোগ পাবো তা কখনো ভাবিনি। আমার মনে হচ্ছে আমি স্বপ্ন দেখছি। আর কেউ যেন এসিড সন্ত্রাসের শিকার না হয়।”
কাজের সুযোগ দেয়ার জন্য লালমনিরহাটের তহুরা খাতুন ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল কর্মীদের নিরাপত্তা, কাজের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। নারী উন্নয়নে আমরা গতানুগতিকের বাইরে নতুন কিছু করতে চেয়েছি। এই নারীদের সহকর্মী হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত।”
নারীকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের নারী উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই কাজ করে আসছে। গত বছর দিনাজপুরে প্রথম আলো ট্রাস্টের মাধ্যমে ৭০ জন এসিড আহত নারীর পুনর্বাসনে সহায়তা করে ব্র্যাক ব্যাংক। এছাড়া সমাজের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের আছে ‘প্রথমা ঋণ’। দেশব্যাপী নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হতে এই ঋণ অনেক সহায়তা করছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সকল নারীকর্মী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
|
|
|
 |
৬ মার্চ, ২০১১ প্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি “গ্রাহক অধিকার” ক্যাম্পেইন শুরু করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি “গ্রাহক অধিকার” ক্যাম্পেইন শুরু করেছে, যা দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে প্রথম। “আমাদের আস্থা স্বচ্ছতায় এবং গ্রাহক অধিকারে”-এই শ্লোগান ধারণ করে ব্র্যাক ব্যাংক তার গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং-এর পাশাপাশি তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার এবং গ্রাহক সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের এই উদ্যোগটি তারই এক ধারাবাহিকতা। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ব্যাংকের গুলশান শাখায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনটি উদ্বোধন করেন এবং পরবর্তিতে, ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ ব্যাংকের টংগী এস.এম.ই. ইউনিট অফিস এবং উত্তরা এস.এম.ই. সার্ভিস সেন্টারে এই ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন।
|
|
|
 |
৩ মার্চ, ২০১১ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর ঘটনায় নিহত লে: কর্নেল এলাহী মঞ্জুর চোধুরীর স্ত্রী তান্নী ইয়াসতা চৌধুরীকে ৪.৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন |
|
|
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর ঘটনায় নিহত লে: কর্নেল এলাহী মঞ্জুর চোধুরীর স্ত্রী তান্নী ইয়াসতা চৌধুরীকে ৪.৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। বাৎসরিক অনুদানের অংশ হিসেবে তৃতীয় বছরের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক এই চেক প্রদান করে। ছবিতে গণভবনে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক জনাব শিব নারয়ন কৈরী-কে দেখা যাচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংক ১০ বছর এই পরিবারকে সহায়তা প্রদান করবে।
|
|
|
 |
৩ মার্চ, ২০১১ সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মীদের জন্য এক টাউন হল মিটিং-এর আয়োজন করে। |
|
|
সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মীদের জন্য এক টাউন হল মিটিং-এর আয়োজন করে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী এতে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাংকের ১০ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ব্যাংকে ৫ বছরের অধিক সময় কর্মরত কর্মকর্তাদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করা হয়। ছবিতে ব্যাংকের উর্ধ্বতন ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তাদের সাথে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেখা যাচ্ছে। ঢাকা ও রাজশাহীতেও ব্যাংকের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
|
|
|
 |
২ মার্চ, ২০১১ সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চলের কর্মীদের জন্য এক টাউন হল মিটিং-এর আয়োজন করে। |
|
|
সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চলের কর্মীদের জন্য এক টাউন হল মিটিং-এর আয়োজন করে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাংকের ১০ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ব্যাংকে ৫ বছরের অধিক সময় কর্মরত কর্মীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করা হয়। ছবিতে ব্যাংকের উর্ধ্বতন ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তাদের সাথে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের বাংলাদেশ বিষয়ক কবিতার সিডি ও বাংলা ওয়েবসাইট উদ্বোধন |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় আজ প্রকাশিত হলো বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবিদের লেখা অমর সব কবিতা নিয়ে আবৃত্তির সিডি।
‘তোমার পতাকা যারে দাও’ শীরোনামে ও জাগরণ-এর ব্যানারে এই সিডিতে মাইকেল মধুসূধন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জীবনানন্দ দাস, কাজী নজরুল ইসলাম, শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, আসাদ চৌধুরীসহ প্রখ্যাত কবিদের অমর সৃষ্টি স্থান পেয়েছে। স্বদেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এইসব কবিতা আবৃত্তি করেছেন দেশবরেণ্য আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ - জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রজ্ঞা লাবণী, বেলায়েত হোসেন ও ডালিয়া আহমেদ।
একই অনুষ্ঠানে দেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক বাংলা ওয়েবসাইট চালু করেছে। www.bracbank.com/bangla এই ওয়েবসাইটে কাস্টোমাররা এস.এম.ই. ব্যাংকিং, রিটেইল ব্যাংকিংসহ ব্যাংকের সকল তথ্য বাংলা ভাষায় পাবেন। বাংলা ভাষায় ব্যাংকের এই তথ্যসম্ভার কাস্টোমারদের অনেক সহায়তা করবে।
২৬ ফেরু্রয়ারি, ২০১১ একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গনে ব্যাংকের বাংলা ওয়েবসাইট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক জনাব শামসুজ্জামান খান। ওয়েবসাইট উদ্বোধন ও সিডির মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, কবি আসাদ চৌধুরী, জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, স্টেপ মিডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসত্মফা তৌহিদ খান ও ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক জনাব শামসুজ্জামান খান বলেন, “বাংলা ওয়েবসাইট ও এই কবিতার সিডি প্রকাশনার জন্য আমি ব্র্যাক ব্যাংকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি ব্র্যাক ব্যাংক সমাজের প্রতি অত্যন্ত দায়িত্বশীল। আমার বিশ্বাস বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবসার পাশাপাশি সর্বদাই দেশের শিল্প, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, কিশোর-কিশোরীদের প্রতিভা অন্বেষণ তথা সমাজের বিভিন্ন প্রয়োজনে সহযোগিতার করে আসছে।’’
এখানে উল্লেখ্য, তৃতীয়বারের মতো এ বছর ব্র্যাক ব্যাংক অমর একুশে গ্রন্থমেলার গর্বিত সহযোগী হয়েছে। মহান এই ভাষার মাসে ব্র্যাক ব্যাংক এবার প্রথমবারের মত স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বাংলা বানান প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।
|
|
|
 |
২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ সি.এস.আর. ডেস্ক চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত, ত্বরান্বিত ও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক তাদের হেড অফিসে সম্প্রতি করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সি.এস.আর.) ডেস্ক চালু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশাবলী অনুসারে পরিচালিত এই ডেস্ক-এর ফলে ব্যাংকের নানামুখী সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রমে মনোযোগ বাড়বে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। এর ফলে সি.এস.আর. কার্যক্রম সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এছাড়া ব্যাংকের সকল সি.এস.আর. কার্যক্রম সম্পর্কে জনসাধারণ তথ্য জানাতে পারবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “যে সমাজে এবং যাদের নিয়ে আমরা ব্যবসা করছি তাদের প্রতি অবশ্যই আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এই দায়িত্ব সুসংগঠিতভাবে পালনের জন্য এই সি.এস.আর. ডেস্ক সাহায্য করবে। বর্তমানে আমরা পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তরুণ নেতৃত্ব, সংস্কৃতি ও কৃষ্টি, কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এইসব ক্ষেত্রে আমরা যেমন অধিক মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে চাই তেমনিভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করতে চাই।”
একজন সিনিয়র ম্যানেজার, এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স-এর নেতৃত্বে একটি টিম এই ডেস্কের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ঢাকাস' ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফিসের ৮৮৫ ৯২০২ এক্স-২০৩৯ নম্বরে ফোন করে অথবা csr@bracbank.com ঠিকানায় ই-মেইলের মাধ্যমে এই ডেস্কের সাথে যোগাযোগ করা যাবে।
এই ডেস্কের তত্তাবধানে শীঘ্রই ব্র্যাক ব্যাংকের সি.এস.আর. নীতিমালা প্রণয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী সি.এস.আর. পদক্ষেপসমূহ নির্ধারণ করা হবে।
|
|
|
 |
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলা বানান প্রতিযোগিতা |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলা বানান প্রতিযোগিতা।
“ব্র্যাক ব্যাংক বানান প্রতিযোগিতা’’ শীর্ষক এই কার্যক্রমে ১২টি স্কুল অংশ নেয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ঢাকার শিশু একাডেমীতে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। স্বনামধন্য ছড়াকার জনাব লুৎফর রহমান রিটন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলো হলো -- অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ, বনানী বিদ্যানিকেতন, বিসিআইআরএস স্কুল, ঢাকা পাবলিক স্কুল, কাকলী স্কুল, লালমাটিয়া গার্লস স্কুল, অক্সফোর্ড স্কুল, রাজধানী স্কুল, সাউথ পয়েন্ট স্কুল, সেন্ট যোসেফ স্কুল, টিএন্ডটি গার্লস হাই স্কুল এবং ভিকারুন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ।
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি স্কুল থেকে দুইজন করে ছাত্র/ছাত্রীকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন করা হয়। ফাইনালে মৌখিক বানান, বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) ও বানান সংশোধন ইত্যাদি পর্বের মাধ্যমে সর্বোচ্চ স্কোরকৃত তিনটি স্কুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সেন্ট যোসেফ স্কুল চ্যাম্পিয়ন, লালমাটিয়া গার্লস স্কুল প্রথম রানার্স আপ এবং সাউথ পয়েন্ট স্কুল দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “সমাজের প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিশ্রম্নতির অংশ হিসেবে এই ভাষার মাসে গ্রন্থমেলার পাশাপাশি আমরা এই বাংলা বানান প্রতিযোগিতা আয়োজনে জড়িত আছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই বানান প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা মাতৃভাষার প্রতি আরও দরদী হয়ে উঠবে এবং শুদ্ধ বানানে বাংলা ভাষা চর্চায় উৎসাহী হবে।”
জনাব লুৎফর রহমান রিটন বলেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের কলকাকলীতে মূখর এই পরিবেশে এসে খুব ভালো লাগছে। বাংলা বানান চর্চায় আগামী প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের উৎসাহ দেখে আমি খুবই আনন্দিত ও আশান্বিত।’’ এই উদ্যোগের জন্য আয়োজক ব্র্যাক ব্যাংককে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং এই প্রতিযোগিতা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান।
|
|
|
 |
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২টি প্রবাসী বুথ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
বহির্গামী যাত্রী বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের রেমিটেন্স ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক গত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দু’টি সার্ভিস বুথ চালু করেছে।
আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষে নতুন নতুন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নিয়ে বিভিন্ন শ্রেনীর কাস্টমারের নিকট অত্যাধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতির এক অনন্য উদাহরণ হলো বিমান বন্দরে প্রবাসীদের জন্য এই ব্যথ চালুকরণ। ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকা রেমিটেন্স দেশে আসে।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব শফিক আলম মেহেদী প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বুথ দু’টি উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহ্বুবুর রহমান। এছাড়া আরও উপসি'ত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও ব্র্যাক ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
‘প্রবাসী কল্যাণ বুথ’টি টার্মিনাল ১ এর বহির্গমন লাউঞ্জে এবং ‘প্রবাসী বিনিয়োগ ব্যুথ’টি টার্মিনাল ২ এর বহির্গমন লাউঞ্জে স্থাপন করা হয়েছে। এই বুথ দু’টিতে বিদেশী মুদ্রা কেনাবেচা, অ্যাকাউন্ট খোলা, রেমিটেন্স বিষয়ক পরামর্শ, অনুমোদিত রেমিটেন্স হাউজ ও বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠানো বিষয়ক তথ্য, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং দেশের পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব শফিক আলম মেহেদী বাংলাদেশী প্রবাসীদের সুবিধার্থে এই বুথ চালু করার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক-কে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা করেন এর ফলে বিদেশ থেকে বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “এই বুথ প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠাতে সাহায্য করবে এবং সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দেশের পুঁজি বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও এটি প্রবাসীদের সহায়তা করবে। এছাড়াও বিমানবন্দরে যাত্রী সেবায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।” বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব্যাংকিং সেবা প্রদানের সুযোগ দেবার জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
|
|
|
 |
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী এসএমই ফেয়ার, পৃষ্ঠপোষকতায় ব্র্যাক ব্যাংক |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ থেকে চট্টগ্রামের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী ‘এসএমই ফাইন্যান্সিং ফেয়ার ২০১১'.
এসএমই ঋণের অগ্রদূত ও দেশের সর্ববৃহৎ এসএমই ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাংক ব্যাংক দেশের সর্বত্র এসএমই খাতে ঋণ প্রবাহ সম্প্রসারণের জন্য এই মেলা পৃষ্ঠপোষকতা করছে। প্রতিষ্ঠার ১০ বছরের মধ্যে ব্র্যাংক ব্যাংক ৩ লাখ ২০ হাজার এসএমই উদ্যোক্তার মধ্যে ১৪,৫০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে যা একটি মাইলফলক। এই ঋণের মাধ্যমে ১২ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এসএমই খাতে ব্র্যাক ব্যাংকের মূলনীতি হলো -- শহুরে এলাকা থেকে আমানত সংগ্রহ করে অপেক্ষাকৃত গ্রামীণ এলাকার উদ্যোক্তাদের মাঝে জামানতবিহীন ঋণ বিতরণ করা।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মাহবুবুর রহমান বলেন, “চট্টগ্রামে এসএমই ফাইন্যান্সিং ফেয়ারের আয়োজনে ব্র্যাক ব্যাংককে সম্পৃক্ত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসএমই খাতকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার জন্য দেশব্যাপী ১৪৭টি শাখা, ৪২১টি এসএমই ইউনিট ও ৮,০০০ কর্মীবাহিনী নিয়ে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি এই মেলার মাধ্যমে আরও অনেক সম্ভাবনাময় নতুন এসএমই উদ্যোক্তা ঋণ সুবিধার আওতায় আসার সুযোগ পাবেন।”
মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান। এ সময় আরও উপসি'ত থাকবেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন জনাব আফতাব উল ইসলাম, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জনাব সুকোমল সিংহ চৌধুরী।
৩২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেবে। ১৫ ফেব্রম্নয়ারি দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০মি. এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যনত্ম মেলা সকল দর্শনার্থীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলার আগে ১৪ ফেব্রম্নয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব জিশান কিংশুক হক।
|
|
|
 |
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের ঢাকার নবাবগঞ্জ ও জিঞ্জিরা শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, প্রতিবেশী স্কুলের জন্য কম্পিউটার দান |
|
|
দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক তার আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এবার এলো ঢাকার নবাবগঞ্জ ও জিঞ্জিয়ায়। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই শাখাদু’টির উদ্বোধন করেন। নবাবগঞ্জ শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি, আরেকটি অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবাবগঞ্জের বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়কে ৬টি কম্পিউটার দান করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক দেশের এস.এম.ই ব্যাংকিং খাতে পথপ্রদর্শক ও বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় এস.এম.ই ব্যাংক। অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের ৪০ শতাংশেরও বেশী শাখা দেশের শহর এলাকার বাইরে বা গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। এ অভিযাত্রায় আরো দুটো নতুন শাখা যোগ হলো।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ বাংলাদেশী ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে সুলভ মূল্যে সর্বোৎকৃষ্ট ব্যাংকিং সেবা পৌছে দেয়ার জন্য সারাদেশব্যাপী শাখা সম্প্রসারনের কাজ করে চলেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, ব্যাংকের শাখা স্থানীয় জনগণের ব্যাংকিং সেবা প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়, নবাবগঞ্জ, ঢাকা-এর প্রধান শিক্ষক জনাব জিয়া উদ্দিন আহমেদ-এর কাছে ৬টি কম্পিউটার হস্তান্তর করনে। এই সময়, ব্র্যাক ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও নবাবগঞ্জের টি.এন.ও., নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ, এল.জি.ই.ডি.-এর চীফ ইঞ্জিনিয়ার এবং নবাবগঞ্জের অন্যান্য স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নবাবগঞ্জ শাখাটি ইছামতি পস্নাজা, প্লট # ৪১৫ (নীচ তলা), ঢাকা-বান্দুরা মেইন রোড, নবাবগঞ্জ, ঢাকায় এবং মোনা ট্রেড সিটি (দিত্বীয় তলা), ডাকপাড়া, জিঞ্জিরা হাইওয়ে, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা ১৩১০-এ অবসি'ত। উদ্বোধনের দিনে পুরো এলাকাদু’টিতেই সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশের। ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীরা, ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক গ্রাহক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৭ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক এবং সানলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সমপ্রতি সানলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীকে ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন প্রদান করার লক্ষ্যে সানলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী (এস.ই.সি.)-এর সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে, এস.ই.সি.-এর পলিসি হোল্ডারগণ, ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪৪টি অনলাইন ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আরো স্বয়ংক্রিয়ভাবে, উন্নত এবং দক্ষ নেশনওয়াইড কালেকশন সিস্টেমের সুবিধা পাবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং সানলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: মাহাফুজুল বারী চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সময়, ব্র্যাক ব্যাংকের ডি.এম.ডি. জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, সানলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর ডি.এম.ডি.দ্বয় ড: কল্যাণ কৃষ্ণ চক্রবর্তী এবং জনাব মো: রকিবুল আলম এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৭ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক এবং গ্রামীণফোন-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সমপ্রতি গ্রামীণফোনের রাজশাহী এবং সিলেট অঞ্চলের ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট পেমেন্ট সলিউশন প্রদান করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোন (জি.পি.)-এর সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে, জি.পি.-এর ভেন্ডরগণ, ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪৪টি অনলাইন ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আরো স্বয়ংক্রিয়ভাবে, উন্নত এবং দক্ষ নেশনওয়াইড কালেকশন সিস্টেমের সুবিধা পাবেন। তাছাড়া এই চুক্তি, জি.পি.-এর রিজিওনাল ফাইন্যান্স অপারেশনাল প্রসেসকেও সহজ করবে। গ্রামীনফোনের ফাইন্যান্স ডিভিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অফ কর্পোরেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেজারী জনাব মো: মাইনুর রহমান ভূঁইয়া এবং এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাষ্টোডিয়াল সার্ভিসেস এবং প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাঁজা শাহরিয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সময়, উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৭ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক এবং কাজী ফার্ম্স গ্রুপ-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সমপ্রতি কাজী ফার্মস্ গ্রুপকে ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন প্রদান করার লক্ষ্যে কাজী ফার্মস্ গ্রুপ (কে.এফ.জি.)-এর সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে, কে. এফ. জি.-এর ডিস্ট্রিবিউটরগণ, ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪৪টি অনলাইন ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আরো স্বয়ংক্রিয়ভাবে, উন্নত এবং দক্ষ নেশনওয়াইড কালেকশন সিস্টেমের সুবিধা পাবেন। কাজী ফার্মস্ গ্রুপের পরিচালক জনাব কাজী জীশান হাসান এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাষ্টোডিয়াল সার্ভিসেস এবং প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাঁজা শাহরিয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সময়, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, কাজী ফার্মস্ গ্রুপের ব্যবসস্থাপনা পরিচালক জনাব কাজী জাহেদুল হাসান এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৩ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক তীব্র শীতে জর্জরিত উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া শীতার্ত মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে এলো |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সমপ্রতি ব্যাংকের সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের অংশহিসাবে তীব্র শীতে জর্জরিত উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা এই কম্বল ও গরম কাপড়সমূহ দান করেছেন যা ব্র্যাক ব্যাংকের এস.এম.ই. ডিভিশন, নীলফামারি এবং কুড়িগ্রামের দু:স্থ শীতার্ত মানুষ এবং এতিম শিশুদের মধ্যে বিতরণ করেছে। নীলফামারীর জেলা প্রসাশক জনাব জিল্লুর রহমান, ব্র্যাক ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
৭ জানুয়ারি, ২০১১ মানবতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীদের ম্যারাথন দৌড় |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা এক ম্যারাথন ও ওয়াকাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মানবতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করার মাধ্যমে নতুন বছর শুরু করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জনাব রকিবুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে ‘‘ব্র্যাক ব্যাংক দৌড় - কল্যাণের পথচলা’ শীর্ষক এই দৌড়ের উদ্বোধন করেন। এই সময় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান-সহ ব্যাংকের ১,৫০০ (পনের শত)-এরও বেশি কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীদের এই ম্যারাথন দৌড় শুরু হয় সকাল ৭টায় এবং ওয়াকাথন শুরু হয় ৭টা ১৫ মিনিটে। প্রায় ১,২০০ জন কর্মীর অংশগ্রহনে মানিক মিয়া এভিনিউর সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু হয় এই দৌড়, যা আগারগাঁওয়ের রোকেয়া স্বরণী দিয়ে মিরপুর রোডের শিশুমেলা থেকে আসাদ গেট হয়ে আবার মানিক মিয়া এভিনিউর সেন্টার পয়েন্টে এসে শেষ হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের এই আয়োজনে উচ্ছ্বসিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জনাব রকিবুল হাসান বলেন, ‘‘দেশে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান।’’ তিনি বলেন, ‘‘এতদিন বিভিন্ন দেশে তহবিল সংগ্রহের জন্য ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করতে দেখেছি। এবারে আমাদের বাংলাদেশেও এই দৌড় আয়োজনের শুরুটা হলো। তাও আবার একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ব্র্যাক ব্যাংক এই আয়োজনটা করল। এ ধরনের আয়োজনের ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শারীরিক ফিটনেস যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি রেগুলার বিজনেসের পাশাপাশি সমাজের জন্যও অবদান রাখার সুযোগ হবে বলে তিনি আরো উল্লেখ করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা প্রায় ৯ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করেন। এর সঙ্গে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়িত্বশীলতা (সি.এস.আর.) তহবিল থেকে সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে এই তহবিলকে দ্বিগুণ করা হয়। মোট তহবিল থেকে অর্ধেক পরিমাণ অর্থ ‘দিগন্ত মেমোরিয়াল ক্যান্সার ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে দান করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা দেয়। এই প্রতিষ্ঠানটি শুধু ক্যান্সারের রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তাই দেয় না, সেই সঙ্গে ডাক্তার ও রোগীদের মধ্যকার ইনফরমেশন গ্যাপ পূরণ এবং একটি নির্দিষ্ট গ্রুপের দ্বারা নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে ক্যান্সারের রোগীদেরও উজ্জ্বীবিত করে তোলে। ব্র্যাক ব্যাংকের দৌড় শেষ হওয়ার পরে দিগন- মেমোরিয়াল ক্যান্সার ফাউন্ডেশনের সদস্যরা অনুদানের টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন। এই তহবিলের বাকি অর্ধেক অর্থ দিয়ে কম্বল এবং গরম কাপড় কিনে ব্র্যাক ব্যাংকের এস.এম.ই. ইউনিট টিমের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের উত্তরাঞ্চলের কম সুবিধা পাওয়া শীতার্ত জনগণের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এ কাজের জন্য অনুদানের চেকটি গ্রহণ করেন ব্র্যাক ব্যাংকের এস.এম.ই. বিভাগের প্রধান জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম।
এই স্মরণীয় অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান তাঁর কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘‘দৈনন্দিন কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজের জন্যও কাজ করে এমন একটি টিম পাওয়া সত্যিই উৎসাহব্যঞ্জক। থ্রি পি বা পিপল্, প্ল্যানেট, প্রফিট তথা মানুষ, পৃথিবী ও মুনাফা-এই দর্শনের আলোকে আজকের এই আয়োজন একটি বড় ধরনের শুরু - যা একটি উল্লেখযোগ্য উপায়ে মানুষ ও পৃথিবীকে সম্পৃক্ত করে!’’
|
|
|
 |
৩ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংক রোড-শো নিয়ে সিলেটের শাহ্জালাল ইউনিভার্সিটিতে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বাংলাদেশী ব্যাংক ইউনিভার্সিটি ছাত্রদের জন্য আয়োজন করল রোড-শো |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি শাহ্জালাল ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এস.ইউ.এস.টি.)-তে একটি রোড-শো-এর আয়োজন করে। দেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বাংলাদেশী ব্যাংকের এই রোড-শো আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ কর্নধারদের খূঁজে বের করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেশাগত বাস-বসম্পন্ন জ্ঞান প্রদান করা। রোড-শোতে ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ হিউম্যান রিসোর্সেস মিস্ ত্যাহ্নিয়াত আহমেদ করিমকে এস.ইউ.এস.টি.-এর ছাত্রদের মধ্যে পেশাগত বাস্তবসম্পন্ন জ্ঞান উপস্থাপন করতে দেখা যাচ্ছে।
|
|
|
 |
৩ জানুয়ারী, ২০১১ ব্র্যাক ব্যাংকের সাবওরডিনেটেড ২৫% কনভার্টিবল বন্ড অ্যাপ্লিকেশন লটারী অনুষ্ঠিত |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক সমপ্রতি তার সাবওরডিনেটেড ২৫% কনভার্টিবল বন্ড অ্যাপ্লিকেশন লটারীর আয়োজন করে। বন্ডের মোট ইস্যুর পরিমান ছিল ৩০০ কোটি টাকা যেখানে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের পরিমান ছিল ২৭০ কোটি টাকা এবং পাবলিক অফারের পরিমান ছিল ৩০ কোটি টাকা। ব্র্যাক ব্যাংকের কোম্পানী সেক্রেটারী অ্যান্ড হেড অফ লীগ্যাল, রেগুলেটরী অ্যান্ড ইন্টার্নাল কন্ট্রোল জনাব রেইস্ উদ্দীন আহমাদ; ডি.এস.ই., সি.এস.ই., সি.ডি.বি.এল., আই.ডি.এল.সি., বি.ইউ.ই.টি., স্যাটকম আই.টি., ব্র্যাক ব্যাংকের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আবেদনকারীরা এই লটারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক আই.সি.এ.বি. ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেল |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদকে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত-এর কাছ থেকে আই.সি.এ.বি. ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংক তার অন্যতম বেষ্ট পাবলিষ্ট অ্যাকাউন্ট্স অ্যান্ড রিপোর্টস ২০০৯ প্রকাশের জন্য সমপ্রতি ১০ম আই.সি.এ.বি. ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। দি ইন্স্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট্স অফ বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রতিষ্ঠানসমূহের সবচেয়ে স্বচ্ছ প্রকাশিত অ্যাকাউন্ট্স অ্যান্ড রিপোর্ট্স, সুষ্ঠ পরিচালন প্রক্রিয়া এবং সন্তোষজনক প্রকাশের ক্ষেত্রে এই অ্যাওয়ার্ডসমূহ প্রদান করে থাকে।
|
|
|
 |
২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং রয়েল এক্সচেঞ্জ, ইউ.এস.এ.-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
রয়েল এক্সচেঞ্জ, ইউ.এস.এ.-এর প্রেসিডেন্ট জনাব নুরুল আমিন জাহাঙ্গীর এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাষ্টোডিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাঁজা শাহরিয়ার সমপ্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে, রয়েল এক্সচেঞ্জ, ইউ.এস.এ., তার গ্রাহকদের ইউ.এস.এ. হতে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সারা বাংলাদেশে বিস্তৃত ব্র্যাক ব্যাংকের ১,৮০০-এর বেশী পেআউট লোকেশনের মাধ্যমে দ্রুত ও বিশ্বস্ত সেবা প্রদান করবে।
|
|
|
 |
১৯ ডিসেম্বর, ২০১০ দেশে প্রথম ‘অনলাইন শপিং’ সেবা চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক ভিসা (VISA) কার্ডধারীদের জন্য এই প্রথম অনলাইন শপিংয়ের সুযোগ |
|
|
ভিসা (VISA) কার্ডধারী বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে যাঁদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে তাঁরা এখন থেকে অনলাইনে শপিং বা কেনাকাটা করতে পারবেন। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ও ভিসা সম্মিলিতভাবে আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করেছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহক তথা ভোক্তারা অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের নিজ নিজ পছন্দের পণ্যসামগ্রী কেনার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান আজ রোববার ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এই ই-কমার্স বা অনলাইন কেনাকাটা সেবার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ভিসা (VISA)-এর ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি অফিসার উত্তম নায়ক এবং শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকেরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনসাধারণের দ্বারপ্রানে- ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টায় সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এ ধরনের অভিযাত্রায় আরেকটি নতুন মাইলফলক হল আজকের এই অনলাইন শপিং বা কেনাকাটার সুযোগ তৈরির কার্যক্রম। দেশে প্রথমবারের মতো দেশীয় একটি ব্যাংকের নিয়ে আসা এই সেবাটির উদ্বোধন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’’
নতুন এই শপিং প্ল্যাটফর্ম অন্যান্য অনলাইন স্টোরগুলোর মতোই কাজ করবে। এক্ষেত্রে গ্রাহক তথা ভোক্তারা প্রথমে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে অনলাইন সুপার স্টোরগুলো বা নির্দিষ্ট কোনো বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের পণ্য পছন্দ করবেন। এরপরে পছন্দের পণ্যগুলো আবার দেখেশুনে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে শুধুমাত্র নিজেদের ভিসা কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী উল্লেখ করে অর্ডার বা ফরমায়েশ দেবেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী বলেন, ‘‘আমি মনে করি যে এই সেবা অনেক কোম্পানির জন্য অনলাইনে ব্যবসায় শুরু করার সুযোগ করে দেবে। আশা করছি, এটাই হবে বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসায়ের বিপ্লবের সূচনা যেটির মাধ্যমে এদেশের অনলাইন ব্যবসায় নিত্যনতুন পণ্য-সেবা উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম হবে।’’ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘‘আমাদের এই সেবা ভোক্তাদের যেকোনো ধরনের পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে যেমন সময় ও অর্থ বাঁচিয়ে দেবে তেমনি ঝক্কি-ঝামেলাও কমাবে।’’
বর্তমানে দেশে নিত্যদিনকার দোকানপাট রাত ৮ টায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে দেশের অনেক কর্মজীবী সমস্যার মুখে পড়েন। এই পরিসি'তিতে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিট বুকিং দেওয়া ও সাধারণ কেনাকাটার সুযোগ তৈরি হওয়াটা নিঃসন্দেহে ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য অনেক কিছু। এ ধরনের সুযোগের জন্য তাঁরা যেন বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছিলেন। ব্র্যাক ব্যাংক অনলাইন শপিং দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকবে। এরফলে দোকান-পাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও ক্রেতারা যেমন বিভিন্ন খুচরা পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন তেমনি কোম্পানি বা স্টোরগুলোও বাড়তি আয় করতে পারবে।
ব্র্যাক ব্যাংক ই-কমার্স ব্যাংকিংয়ের এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেওয়ার ফলে ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীরা এখন অনলাইনে শপিং বা কেনাকাটা করার সুযোগ পাচ্ছেন। ব্র্যাক ব্যাংকের অথবা অন্য ব্যাংকের ইস্যু করা ভিসা লোগো সম্বলিত যেকোনো কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটাজনিত লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ওয়েব সাইটে মার্চেণ্ট লিস্ট তথা অনলাইনে পণ্য বিক্রেতাদের তালিকা পাওয়া যাবে।
|
|
|
 |
১৩ ডিসেম্বর, ২০১০ দেশের তৃনমূল পর্যায়ে এবার ব্যাংকিং সেবা দেশের জনসাধারণের আর্থিক সমাধানের জন্য বিকাশ লিমিটেড এবং শোরব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
বিকাশ লিমিটেড - ব্র্যাক ব্যাংক এবং মানি ইন মোশন-এর একটি মালিকাধীন কোম্পানী - শোরব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি আন্তর্জাতিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ভিত্তিতে শোরব্যাংক এবং বিকাশ মোবাইল ফোন-সহ কমিউনিটিভিত্তিক একটি বিস্তৃত এজেন্টদের নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যমান প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সেবা জনগণের কাছে পৌছে দেবার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে।
বিকাশ লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কামাল কাদীর এবং শোরব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব জেসী ফ্রীপ নিজ নিজ কোম্পানীর পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এই সময় ব্র্যাক-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং বিকাশ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিকাশ একটি ইলেকট্রনিক প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক সেবা ব্যাংক গ্রাহক ছাড়াও ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেবে। এর একটি অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সহজে, স্বল্প খরচে এবং বিশ্বস্থতার সাথে বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সেবা দেওয়া। স্বল্প আয়ের মানুষদের অর্থনৈতিক সুবিধা ব্যবহারে যে প্রতিবন্ধকতাগুলো রয়েছে সেগুলোকে বিবেচনায় রেখে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
শোরব্যাংক, বিকাশকে কৌশলগত পরিকল্পনা, বাজারজাতকরণ, গ্রাহক সংগ্রহ, এজেন্ট কাঠামো সমপ্রসারণ, প্রযুক্তি, অর্থব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। উল্লেখ্য, ১৬ নভেম্বর ২০১০ তারিখে শোরব্যাংক ঘোষণা দেয় যে, তারা বিল অ্যান্ড মিলিন্ডা গেইট্স ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে ১০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার অনুদান পেয়েছে যা বিকাশ লিমিটেডকে সহায়তা করার কাজে ব্যবহৃত হবে।
এই অনুষ্ঠানে, ব্র্যাক ব্যাংক এবং বিকাশ-এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী বলেন, ‘‘বিকাশ-এর ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অত্যন্ত দৃঢ় ও সুদূরপ্রসারী। এটি ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যক্রম সমপ্রসারণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোন ভিত্তিক পেমেন্ট সার্ভিস হিসাবে সাধারণ মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধাগুলো ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এটি দেশের কল্যাণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে যেহেতু দেশের শতকরা ৮৩ ভাগ মানুষ দৈনিক ২ ডলার আয়ের নিচে বসবাস করে সেহেতু ব্যাংকিং সুবিধা পৌছে দেয়া সম্ভব হলে তা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখবে।”
ব্যাংকিং সুবিধার আওতার বাইরে বৃহৎ জনগোষ্ঠী রয়েছে তাদেরকে এই সুবিধার আওতাভুক্ত করার লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এই উদ্যোগটিকে সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে। বাংলাদেশের অন্যতম সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ও শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী বাণিজ্যিক বাংলাদেশী ব্যাংক: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড যার অন্যতম লক্ষ্য সকলের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধার বিস্তার করা।
|
|
|
 |
৭ ডিসেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট-এর মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং প্রেসক্রিপশন পয়েন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: জগলুল আব্বাস মজুমদার, উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দের উপস্থিতিতে সমপ্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা চুক্তির অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ব্যাংকের কর্মীরা হস্পিটালাইজেশন, মেডিকেল ও ডায়াগ্নষ্টিক সেবার উপর বিশেষ প্যাকেজ এবং ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
০৫ ডিসেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং প্রভূ মানি ট্র্যান্সফার, ইউ.এস.এ.-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
প্রভূ মানি ট্র্যান্সফারের চেয়ারম্যান অ্যান্ড প্রেসিডেন্ট ডেভি প্রকাশ ভট্টাচান এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কাষ্টোডিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্রবাসী ব্যাংকিং জনাব খাঁজা শাহরিয়ার সমপ্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে, প্রভূ মানি ট্র্যান্সফার, তার গ্রাহকদের ইউ.এস.এ. হতে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সারা বাংলাদেশে বিস্তৃত ব্র্যাক ব্যাংকের ১,৮০০-এর বেশী পেআউট লোকেশনের মাধ্যমে দ্রুত ও বিশ্বস- সেবা প্রদান করবে।
|
|
|
 |
০১ ডিসেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং NASCIB ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের পাশে দাড়িয়েছে ব্যাংকটি ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সহযোগীতা প্রদান করতে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক, ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ অফ বাংলাদেশ (NASCIB )-এর সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তিটির উদ্দেশ্য হলো দেশের এস.এম.ই খাতে সুযোগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষতঃ নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে উভয় প্রতিষ্ঠানই যৌথভাবে কাজ করা।
এ পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক দেশের এস.এম.ই. খাতে ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি এস.এম.ই. ঋণ প্রদান করেছে। ব্যাংকটি এস.এম.ই. খাতে বিস্তৃত প্রডাক্ট ও সেবার মাধ্যমে বিশেষ করে উইমেন এন্টারপ্রেনার সেল গঠন করে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠিত করতে সহায়তা করেছে এবং এখন থেকে ব্যাংকটি তার অভিজ্ঞতার আলোকে NASCIB -এর সদস্যদের চাহিদামাফিক সেবা প্রদান করবে।
এই সমঝোতা চুক্তি NASCIB-এর ঋণ গ্রহীদের দ্রুত ঋণ পেতে সহায়তা করবে। ব্র্যাক ব্যাংকও তার উদ্যোক্তাদের তুলনামূলক কম ফি’তে NASCIB -এ সদস্য ভূক্তির জন্য পরামর্শ প্রদান করবে উভয় প্রতিষ্ঠানই নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, কর্মশালার আয়োজনের জন্য এক সাথে কাজ করে যাবে। NASCIB সাধারণত তার সদস্যদের তাদের সুষ্ঠভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য আইনগত পরামর্শ সেবা প্রদান করে থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এস.এম.ই. অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম্স বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার জনাব সুকমল সিনহা চৌধুরী-এর উপসি'তিতে NASCIB-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব আহসান কবির এবং ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়াও অনু্ষ্ঠানে NASCIB -এর প্রেসিডেন্ট জনাব আলহাজ্ব শেখ মো: আব্দুস সোবহান, ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ এস.এম.ই. ব্যাংকিং জনাব সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, কিছু নারী উদ্যোক্তা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
২৫ নভেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক-এর ‘আপন সময়’ দিবে নির্ধারিত সময়ের বাইরেও ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকদের সুবিধার্থে ব্র্যাক ব্যাংক চালু করলো ২৪ ঘন্টাব্যাপি দিবারাত্রি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র |
|
|
গ্রাহকদের সুবিধার্থে সপ্তাহের ৭দিনই ২৪ঘন্টা গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড চালু করলো তাদের নতুন গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ‘আপন সময়’। আজ [২৫ নভেম্বর, ২০১০] গুলশান এভিনিউ ও বনানী আউটলেটে নতুন সেবাকেন্দ্র ‘আপন সময়’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. আইনুন নিশাত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি’ত থেকে ‘আপন সময়’ এর শুভ উদ্বোধনী করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটিডের ব্যবস্থাপনা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
‘আপন সময়’ হচ্ছে দিবা রাত্রি ২৪ ঘন্টার নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা কেন্দ্র যেখানে গ্রাহকবৃন্দ তাদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং লেনদেন তথা নগদ টাকা জমা ও উত্তোলন, একাউন্ট ও ঋণের আবেদনপত্র, চেক বই-এর আবেদনপত্রসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহন করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খ্যাতনামা পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. আইনুন নিশাত বলেন, ‘আপন সময় এর মতো নতুন ও মৌলিক উদ্ভাবনী সেবা শুরুর মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা এখন আর সময় ও স্থানের উপর নির্ভরশীল থাকবে না। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহকরা যে কোন দিন যে কোন সময়ে ব্যাংকের আউটলেটের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়া বিভিন্নভাবে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁচাতে সহায়তা করবে।’
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকের শাখায় গ্রাহকদের দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হওয়ার দিন এখন শেষ হয়েছে। এমনকি অনেক সময় গ্রাহকদের সুনির্দিস্ট একটি শাখায় পৌঁছুতেও পুরো একটি দিন নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের গ্রাহকদের জন্যে ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে আমরা সহজতর করে নিয়ে এসেছি। আমাদের গ্রাহকরা এখন যে কোন সময় যে কোন দিন আমাদের সঙ্গে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।’
|
|
|
 |
১২ নভেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা পুরস্কৃত বিজয়ীদের জন্যে ব্র্যাক ব্যাংকের বর্ণাঢ্য সঙ্গীত সন্ধ্যা |
|
|
ক্রেডিট কার্ড ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের জন্যে ব্র্যাক ব্যাংক একটি বিশেষ পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গত রমজান মাস জুড়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য সঙ্গীত আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫০ জনেরও বেশি বিজয়ীকে অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হয়।
ব্যাংকিং সেক্টরে অন্যতম বৃহত্তম রিটেইল ব্যাংকিং সক্ষমতার অধিকারী ব্র্যাক ব্যাংক ভিসা ও মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে প্লাস্টিক মুদ্রার প্রচলন করেছে। ব্যাংক তার গ্রাহকদের জন্যে নানাধরনের সুবিধা ও বাড়তি সেবা নিরন্তর সরবরাহ করে চলেছে। গত রমজানে শুরু হওয়া কেনাকাটায় যে সব গ্রাহক ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করেছেন; তাদের মধ্যে শীর্ষ ব্যবহারকারীদের সামপ্রতিক এই কার্যক্রমের আওতায় পুরস্কৃত করা হয়।
১৫০ জনেরও বেশি বিজয়ীকে সিগাল হোটেলে থাকার সুবিধা থেকে ফ্ল্যাট টিভি ও বিদেশ ভ্রমণের টিকিট পর্যন্ত দেয়া হয়। চট্টগ্রামসহ দেশের দূর-দূরান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজয়ীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান কার্ড নাইট উপলক্ষ্যে বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক হচ্ছে দেশের সবচেয়ে দ্রুততম অনলাইন সুবিধা সম্পন্ন প্রথম বাংলাদেশী ব্যাংক। অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধার অন্যতম হচ্ছে এর প্লাস্টিক কার্ড। এটি আমাদের জন্যে দারুণ আনন্দের ব্যাপার যে, গ্রাহকদের সন্তুষ্টির কারণে সম্প্রতি ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের প্রতি গ্রাহকদের ‘আস্থা অবিচল’ প্রত্যয়ের কারনে আমরা তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
চলতি বছর রমজান মাসে প্রিন্ট, এস.এম.এস. ও অন্যান্য মিডিয়ার সাহায্যে এই কার্যক্রমের প্রচারণা চালানো হয়। মুলত: রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলেও গ্রাহকদের বিপুল চাহিদার কারনে ৬ সপ্তাহের জন্যে কার্যক্রম সমপ্রসারিত করা হয়। ক্যাম্পেইনের সময়কার লেনদেনের তালিকা দেখে গ্রাহকদের পুরস্কারের জন্যে নির্বাচন করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান-এর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিজয়ী অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। আয়োজনের বিশেষত্ব ছিল প্রবাসী বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পী তপন চৌধুরীর সঙ্গীত পরিবেশনা।
কেনাকাটার মৌসুমী কার্যক্রম ছাড়াও ব্র্যাক ব্যাংক হজ্জ্ব কার্ড, মাস্টারকার্ড ও ট্রাভেল কার্ডসহ অন্যান্য কার্ড ও প্রচারণা কর্মসুচী পরিচালনা করছে।
|
|
|
 |
১১ নভেম্বর, ২০১০ নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে ব্র্যাক ব্যাংকের রোড শো বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের জন্যে দেশের সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা ব্যাংকের ব্যতিক্রমী আয়োজন |
|
|
|
সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ব্র্যাক ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী রোড শো’র আয়োজন করে। দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই রোড শো’র আয়োজন করা হয়। শিক্ষাজীবনে আরও বৃহত্তর পরিসরে পেশাদারী দক্ষতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যেই সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ’ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ব্র্যাক ব্যাংক।
দেশের সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক থ্রিপি [ পিপল -মানুষ, প্ন্যানেট - বিশ্ব ও প্রফিট- মুনাফা ] মুলনীতিতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। ৭,৮৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মী নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে অন্যতম বৃহত্তম কর্মী-প্রতিষ্ঠান। সাধারন মানুষকে মানবসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে দেশের বিভিম্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাংকটি রোড শো’র আয়োজন করে চলেছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ হিউম্যান রিসোর্স মিসেস ত্যাহ্নিয়াত আহমেদ করিমের নের্তৃত্বে একটি দল নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিভ্রমণ করে এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের উপস্থাপনা তুলে ধরেন। মিসেস ত্যাহ্নিয়াত কর্পোরেট বিশ্বের বিভিন্ন প্রসঙ্গ উপস্থাপনার পাশাপাশি ছাত্রদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এই আনন্দদায়ক কথোপকথন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে অংশ নেন। ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের গভীর আগ্রহ ছিল এবং তারা প্রত্যেকে এ ব্যাপারে তাদের নানা কৌতূহলের জবাব পেয়েছেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের অগ্রগতির পেছনে এর বিপুলসংখ্যক তরুণ কর্মী প্রশংসনীয় কর্মতৎপরতা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্মের কর্মক্ষমতার প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক আস্থাশীল। আমরা দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছানোর জন্যেই একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে যাচ্ছি। কারণ, আমরা তাদের অসীম সম্ভাবনায় বিশ্বাস করি।’
ব্র্যাক ব্যাংক আগামী দুই মাসের মধ্যে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভির্সিটি অফ বাংলাদেশ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভির্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনলজি এবং ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ-এ রোড শো করবে।
|
|
|
 |
৮ নভেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে মাত্র ৯ বছরের কার্যক্রমে সবচেয়ে দ্রুত ১০ লক্ষেরও অধিক গ্রাহকের আস্থা অর্জন |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক গতমাসে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে সবচেয়ে দ্রুত ১০ লক্ষ গ্রাহক সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টরের সবচেয়ে কনিষ্ঠ ব্যাংক হিসাবে ব্যাংকটি মাত্র ৯ বছরে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক অতিক্রম করল।
"এই অর্জন সত্যিকারভাবে উৎসাহজনক। আমরা আমাদের গ্রাহকদের জন্য যতদুর সম্ভব কঠোর পরিশ্রম করে যাই - আমরা আমাদের গ্রাহকদের "অতিথি" মনে করি - আন্তর্জাতিকমানের ব্যাংকিং সমাধান প্রদানের লক্ষ্যে ও ব্যাংকিং সেবার আওতার বাহিরে থাকা মানুষের দোড়গোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌছে দেবার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি," বলেন, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
যদিও ব্র্যাক ব্যাংক এস.এম.ই. ব্যাংকিং-এ নেতৃত্বদানকারী ব্যাংক তথাপি এই ব্যাংক শুরু থেকেই ব্যাংকিং-এর সকল ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সমাধান দিয়ে আসছে। অতি অল্প সময়ে, এই ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং সেবার আওতার বাহিরে থাকা মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় এনেছে এবং ১৩ হাজার কোটি টাকা এস. এম. ই. ঋণ বিতরণ করেছে। এছাড়াও আজ এই ব্যাংক কর্পোরেট, রিটেইল এবং প্রবাসী বাংলাদেশী গ্রাহকদের সমান দক্ষতার সাথে সেবাদান করে যাচ্ছে।
আজ ব্যাংকটির ১৩৭টি শাখা, ২২০টি এ. টি. এম. (অটোমেটেড টেলার মেশিন), ৪২৪টি এস. এম. ই. ইউনিট অফিস, ১,৯০০টিরও বেশি রেমিটেন্স ডেলিভারী পয়েন্ট এবং ১,৫০০টির বেশি পি.ও.এস. (পয়েন্ট অফ সেল্স) টার্মিনাল-ই ব্যাংকটিকে ব্যাংকিং ইন্ডাষ্ট্রির সর্ববৃহৎ অনলাইন-কাস্টোমার-নেটওয়ার্ক হিসাবে পরিণত করেছে।
সর্বশেষে, ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবসার পাশাপাশি মানুষ, পৃথিবী এবং মুনাফা-এই 'থ্রি পি' দর্শন অনুসরন করে গ্রীণ ব্যাংকিং-এর জন্য কাজ করতে বিভিন্ন সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ কার্যক্রম করে যাচ্ছ। সামপ্রতিক প্ল্যানেট কার্ড, এস. এম. ই. মডেল-এ শহর থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে গ্রামে বিতরণ করে গ্রামের উদ্যোক্তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সাহায্য করা, ৭,৮৫০-এরও বেশি কর্মীর শক্তি - সবই তার সাক্ষ্য বহন করে।
|
|
|
 |
অক্টোবর ২৩, ২০১০ এবার পরিবেশ রক্ষায় এমন এক ডেবিট কার্ড ব্র্যাক ব্যাংক প্রথমবারের মতো প্রবর্তন করল প্ল্যানেট কার্ড
|
|
|
আপনার ডেবিট কার্ডটি কী পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে? এবার ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এমন একটি ডেবিট কার্ড নিয়ে এসেছে যেটি এই প্ল্যানেট বা পৃথিবীকে অধিকতর সবুজময় করে তুলতে ভূমিকা রাখবে। ব্র্যাক ব্যাংক দেশে প্রথমবারের মতো প্ল্যানেট কার্ড নামের এই ডেবিট কার্ডটি নিয়ে এসেছে। আজ শনিবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মাহাবুব হোসেন এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এই কার্ডের উদ্বোধন করেন।
প্ল্যানেট কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. মাহাবুব হোসেন বলেন, ‘‘আমাদের পৃথিবীর জন্য আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। সে লক্ষ্যেই এই প্ল্যানেট কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। যেটির মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক ও এর গ্রাহকেরা হাতে হাত রেখে এই পৃথিবীকে আরও সবুজ-শ্যামল করে তোলার বিষয়ে কাজ করবে।’’
জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘‘আমাদের পৃথিবী মাত্র একটি। তাই আমরা যাই করিনা কেন তা কোনো না কোনোভাবে পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে। সেজন্য ব্র্যাক ব্যাংক সব সময়ই বিভিন্ন উদ্যোগে ‘থ্রি পি’ (প্ল্যানেট, পিপল, প্রফিট) তথা পৃথিবী, মানুষ ও মুনাফা - এই দর্শনটিকে মাথায় রেখেই কাজ করে আসছে। আমাদের এ ধরনের সেবা-দর্শনে গ্রাহকদেরও শরিক করার একটি পদক্ষেপ হল প্ল্যানেট কার্ড।’’
ব্র্যাক ব্র্যাংকের এই প্ল্যানেট কার্ডটি কোনো সাধারন কার্ড নয়। আপনিও একটি প্ল্যানেট কার্ড গ্রহণ করে আমাদের গ্রিন ফান্ড বা সবুজ তহবিল গঠনে আপনার স্ট্যান্ডার্ড ডেবিট কার্ড ফি থেকে কিছু অবদান রাখতে পারেন। আপনার দেওয়া অর্থ ব্র্যাক ব্যাংক সঠিক উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিনামূল্যে বৃক্ষচারা বিতরণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসমূহে অর্থায়ন করাসহ বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রমে ব্যয় করবে। ব্র্যাক ব্যাংকের এই প্ল্যানেট কার্ডধারী প্রত্যেক গ্রাহক প্রতি বছর ২৫ টাকা করে অনুদান দেবেন। এর সঙ্গে ঠিক সমপরিমাণ অর্থ যোগ করে ব্র্যাক ব্যাংক তা সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রমে ব্যয় করবে।
তবে প্ল্যানেট কার্ডধারী প্রত্যেক গ্রাহকই বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধাও উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এসব সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে - শীর্ষস্থানীয় রেস্টুরেন্ট ও লাইফস্টাইল দোকানগুলোতে মূল্যছাড়, দেশজুড়ে নির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশনগুলোতে এই কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ, সারাদেশে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রায় দেড় হাজার পি.ও.এস. টার্মিনালের মাধ্যমে কেনাকাটা, ব্র্যাক ব্যাংকের ২০০টিরও বেশি এ.টি.এম. বুথ থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন সুবিধা ও এ.টি.এম. বুথ থেকে দৈনিক এক লাখ টাকা পর্যন- অর্থ উত্তোলন সুবিধা, ৩২টি ব্যাংকের অমনিবাস নেটওয়ার্কের আওতাধীন এ.টি.এম. বুথসমূহ এবং রূপালী ব্যাংকের সকল এ.টি.এম. বুথ ব্যবহারের সুবিধা ইত্যাদি। বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিকই মাত্র দুই হাজার টাকা জমার মাধ্যমে একটি ইজি এ্যাকাউন্ট বা হিসাব খুলেই ব্র্যাক ব্যাংকের একটি প্ল্যানেট কার্ড সংগ্রহ করতে পারেন।
ব্র্যাক ব্যাংক বিশ্বাস করে যে, একসঙ্গে ও একযোগে কাজ করে আমরা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারি।
|
|
|
 |
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং ডকুমেন্টা-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ডকুমেন্টা লিমিটেডের পরিচালক জনাব শ্রীকান্ত টাংগীরালা উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমপ্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায়, ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথমবারের মতো, ব্র্যাক ব্যাংক, ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের খুব সহজে দৈনিক লেনদেনের রেকর্ড রাখতে এবং ফাইন্যান্সিয়াল ষ্টেটমেন্ট তেরীতে সহায়তা করতে ডকুমেন্টা কর্তৃক তৈরীকৃত ফাইন্যান্সিয়াল রেকর্ড কীপিং সফ্টওয়ার সমৃদ্ধ নেটবুক চালু করবে।
|
|
|
 |
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক এবং ষ্ট্র্যাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর |
|
|
দি ষ্ট্র্যাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লি:-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এ.এইচ.এম. জহিরুল হক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফ রিটেইল ব্যাংকিং জনাব ফিরোজ আহমেদ খান উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমপ্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায়, ব্র্যাক ব্যাংকের ’আপন ঘর’-এর গ্রাহকগণ এখন থেকে দি ষ্ট্র্যাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লি:-হতে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাবেন।
|
|
|
 |
জুন ০৫, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংক-এর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান |
|
|
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ৬ জুন, ২০১০ হতে ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এর আগে তিনি একই ব্যংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন। জনাব রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুল মূহায়মেন-এর কাছ থেকে তাঁর দায়িত্বভার বুঝে নিয়েছেন। জনাব মূহায়মেন দেশের বাইরে নতুন দায়িত্বে যোগদান করতে যাচ্ছেন।
জনাব রহমান গত প্রায় ২১ বছর ধরে ব্যাংকিং শিল্পে কর্মরত আছেন। তিনি সৌদী বাংলাদেশ এ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানী (সাবিনকো)-তে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। এছাড়া তিনি আই.ডি.এল.সি., স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, এ.এন.জেড. গ্রীন্ডলেজ ব্যাংক এবং সিটিব্যাংক এন.এ.-এর বিভিন্ন উর্দ্ধতন পদে কর্মরত ছিলেন। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন।
তাঁর সুদীর্ঘ ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে তিনি ব্যাংকিং-এর বিভিন্ন আধুনিক বিষয়ের উপর দেশে-বিদেশে বহুসংখ্যক প্রশিক্ষণ কোর্স, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেছেন।
জনাব রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আই.বি.এ.) অনুষদ থেকে এম.বি.এ. ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।
|
|
|
 |
ব্র্যাক ব্যাংক বাংলা নববর্ষ ১৪১৭ উপলক্ষে শিশুদের জন্য আয়োজন করল চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা |
|
|
ব্র্যাক ব্যাংক বাংলা নববর্ষ ১৪১৭ উপলক্ষে শিশুদের জন্য আয়োজন করে এক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার। ক্ষূদে শিল্পীদের তুলিতে ফুটে উঠে রঙীন বাংলাদেশ। ক্ষূদে আঁকিয়েদের ভেতর পুরষ্কার বিতরন করেন শিল্পী গুলশান হোসেন, ব্র্যাক ব্যাংকের ডি.এম.ডি. জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ব্যাংকটি তার গ্রাহকদের জন্য মৃৎ শিল্প প্রদর্শনী ও কর্মীদের জন্য উৎসবমূখর অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে।
|
|
|
 |
২ এপ্রিল, ২০১০ ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগীতায় তেঁতুলিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রোড-শো ’উন্নয়নের যাত্রা’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান |
|
|
প্রথমবারের মত বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত রোড-শো 'উন্নয়নের যাত্রা'-এর সমাপনী অনুষ্ঠান আজ (২ এপ্রিল, ২০১০) পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো। বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ ও রোড-শো’র সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল রোড-শো’র অন্যতম লীড ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত: চারটি লক্ষ্য নিয়ে ৮দিন ব্যাপী দেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত রোড-শো 'উন্নয়নের যাত্রা'-এর উদ্যোগ নিয়েছিল। লক্ষ্যগুলো হলো কৃষি ঋণ, এস. এম. ই. ঋণ, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশ হতে টাকা আনয়ন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। রোড-শোটি গত ২৬শে মার্চে টেকনাফে শুরু হয়ে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেণী, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় হয়ে তেতুলিয়ায় এসে সমাপ্ত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক সহ মোট ১৩টি ব্যাংককে রোড-শো আয়োজনের জন্য লীড ব্যাংক হিসাবে মনোনীত করে।
দেশের উত্তর প্রান্তরে ছোট্ট শহর তেতুলিয়ায় যখন রোড-শো’র গাড়ী বহর প্রবেশ করে এলাকায় তখন এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সমাপনী অনুষ্ঠান যদিও তেতুলিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় তথাপি পুরো শহরজুড়েই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এই দিনটি তেতুলিয়াবাসীর জন্য একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর জনাব জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী রোড-শো’র সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রোড-শো’র সাথে সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলোকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ’এই রোড-শোর মাধ্যমে আশাতীত সাফল্যের সাথে দেশের কৃষক ও গ্রাম পর্যায়ের উদ্যোক্তের কাছে কৃষি ঋণ ও এস. এম. ই. ঋণ সংক্রান্ত তথ্যাদি পৌছানো সম্ভব হয়েছে।’
এ উপলক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুল মূহায়মেন বলেন যে, ’এই রোড-শো’র মাধ্যমে এই প্রথম দেশের এতগুলো ব্যাংক একসাথে দেশের গ্রামাঞ্চলের কৃষক ও এস. এম. ই. উদ্যোক্তাদের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌছে দেবার সুযোগ পেয়েছে। আজ রোড-শো’র সমাপ্তি নয় বরং ব্যাংকিং সেবা দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চলে পৌছে দেবার যাত্রা শুরু হলো এর মাধ্যমে।’
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মজাহারুল হক প্রধান প্রধান অতিথি হিসাবে; বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর জনাব জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসক জনাব বনমালী ভৌমিক বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক জনাব এম. মাহফুজুর রহমান-সহ এ.বি. ব্যাংক, এন.সি.সি. ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ষ্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ব্র্যাক ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
 |
০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০, নারী দিবসে ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন বিভাগ ‘নি:সঙ্কোচে বলতে চাই’ |
|
|
কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়নি, এমন নজির খুঁজে পাওয়া ভার। আর তিনি যদি হন একজন নারী, তবে এ বাধার দেয়াল অনেকসময় হয় আরো উঁচু। তবুও এই দেয়াল ভেদ করে কর্মজীবনে এগিয়ে এসেছেন অনেক নারী। ব্র্যাক ব্যাংক সবসময়ই তার নারী কর্মীদের সকল ধরণের নিরাপত্তা, সুবিধা ও কাজের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় গঠন করা হয়েছে একটি সেল ‘নি:সঙ্কোচে বলতে চাই’। বিশ্ব নারী দিবসে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই বিভাগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ব্যাংকের অন্যতম পরিচালক নিহাদ কবির।
নারী হিসেবে কর্মজীবনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শোনান নিহাদ কবির। সেই সঙ্গে উৎসাহ জানান এই উদ্যোগকে। তিনি বলেন, ‘এই সেল নি:সন্দেহে কাজ করার ক্ষেত্রে নারীদের আরো এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।’
এই সেল গঠন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ত্যাহনিয়াত আহমেদ করিম বলেন, আমরা আমাদের নারী কর্মীদের কাজ করার জন্য একটি সম্পূর্ণ অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। সেই লক্ষ্যে এই সেলের যাত্রা শুরু। উচ্চপর্যায়ের এই বিভাগে তারা শুধু কাজের বিষয়েই নয়, ব্যক্তিগত কোন বিষয় নিয়েও আমাদের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলতে পারবেন।’
ব্র্যাক ব্যাংক এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল তার ছয়জন নারী গ্রাহককে সম্মাননা প্রদান করে। তাঁরা হলেন, তারানাস্থ হোম মেড-এ উদ্যোক্তা রোমানা আহমেদ, প্রজিয়ন গ্রুপের পরিচালক সেলিনা মীর, প্রাণ গ্রুপের ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক উজমা চৌধুরী, আরকথা-এর উদ্যোক্তা পারভীন আহমেদ, শিশু তরী সংস্থার চেয়ারপারসন নিলুফার করিম এবং ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ডিজাইনের চেয়ারপারসন শারমিন আক্তার। তাঁরা সকলেই তাঁদের পথ চলার গল্প শোনান সবাইকে, যা ছ্বুঁয়ে যায় সবার মনকে। সেই সঙ্গে গানের সুরেও সুর মেলান সকলে।
নারীদের জন্য নতুন এই বিভাগ খোলা প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এস.এম.ই., কর্পোরেট কিংম্বা রিটেইল ঋণের ক্ষেত্রেও আমাদের ভেতর ব্যাংক জুড়েই নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি কাজ করে। আমাদের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা পর্ষদেও যেমন বিষয়টি স্পষ্ট, তেমনি বিষয়টি উৎসাহিত করা হয় ব্যাংকজুড়ে সমস্ত কর্মীদের ভেতর।’
এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উর্দ্ধতন এবং প্রধান কার্যালয়ের প্রায় সকল কর্মকর্তাবৃন্দ।
|
|
|