‘গো গ্লোবাল’ -এর বিশ্বে স্বাগতম! মাল্টি কারেন্সি ডেবিট কার্ডহোল্ডাররা বিদেশ ভ্রমণের সময় নগদ অর্থ ছাড়াই লেনদেন করতে এবং বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।
• বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ভিসা এটিএম থেকে ২৪/৭ নগদ অর্থ উত্তোলন
• বিভিন্ন মুদ্রায় লেনদেনের সুযোগ।
• আন্তর্জাতিক শপিং এবং ডাইনিং।
প্লাটিনাম মাল্টি কারেন্সি ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।
• বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলিতে (নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন ইত্যাদি) সাবস্ক্রিপশন সহ সব ধরনের ই-কম সুবিধা এবং সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ায় বুস্টিং।
• দৈনিক স্থানীয় নগদ অর্থ উত্তোলন সীমা ৪,০০,০০০ টাকা এবং এটিএম থেকে দৈনিক উত্তোলনের সংখ্যা ১৫ বার।
• শত শত পার্টনার মার্চেন্টের কাছ থেকে আকর্ষণীয় ছাড়।
• আস্থা অ্যাপের সব সুবিধা, যেমন কার্ডবিহীন নগদ অর্থ উত্তোলন, কিউআর পেমেন্ট, ট্রাভেল কোটার ব্যালেন্স দেখা, রিওয়ার্ড পয়েন্ট ব্যবহার করা ইত্যাদি।
• কার্ড ইস্যুর পর প্রথম মাসে ১০,০০০ টাকা খরচ করলে বার্ষিক ফি মওকুফ।
• কার্ডহোল্ডাররা রিওয়ার্ড পয়েন্টের মাধ্যমেও বার্ষিক ফি মওকুফ করাতে পারবেন।
প্লাটিনাম মাল্টিকারেন্সি ডেবিট কার্ড স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য রিওয়ার্ড পয়েন্ট দেয়। ডেবিট কার্ড দিয়ে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায় (প্রতি ১০০ টাকা খরচে ১ রিওয়ার্ড পয়েন্ট)। আস্থা অ্যাপের মাধ্যমে রিওয়ার্ড পয়েন্ট ব্যবহার করে পূর্বে করা ট্র্যানজেকশনের অর্থ ফেরত পাওয়া যায়। দৈনিক বিদেশি মুদ্রায় নগদ অর্থ উত্তোলন সীমা ৩০০ ইউএস ডলার এবং মাসিক সীমা ১,৫০০ ইউএস ডলার
• দৈনিক পয়েন্ট অব সেল (পস) লেনদেন সীমা ৩,০০,০০০ টাকা।
• দৈনিক ই-কম লেনদেন সীমা ১,০০,০০০ টাকা।
ব্র্যাক ব্যাংক প্লাটিনাম মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন করতে কার্ডহোল্ডারদের ব্র্যাক ব্যাংকের নিকটতম শাখায় গিয়ে ভ্রমণ কোটার জন্য পাসপোর্ট এনডোর্স করতে হবে।
• বার্ষিক সর্বোচ্চ ১২,০০০ ইউএস ডলার
• সর্বাধিক ২ ক্যালেন্ডার বছর
ফি ও চার্জ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ওয়েবসাইটে থাকা চার্জের তফসিল (এসওসি) দেখুন।